মেইন ম্যেনু

বাড়ছে হিজড়াদের ভাতা

সমাজে সবচেয়ে অবহেলিত জনগোষ্ঠী হিজড়ারা। তাদেরকে সমাজের মূলস্রোতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইতোমধ্যে তাদেরকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে সরকার। এবার বাড়ানো হয়েছে তাদের বিশেষ ভাতা।

হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন কার্যক্রমের অধীনে তাদের বিশেষ ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী তার প্রস্তাবে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় হিডড়াদের পাশাপাশি বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩১ লাখ ৫০ হাজার করার প্রস্তাব করেন। সেই সাথে ভাতার হার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি। এছাড়া বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতার হার ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ভাতা ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার কথা উল্লেখ করেন।

এছাড়া সামাজিক সুরক্ষার আওতায় বিধবা স্বামী নিগৃহীতা, দুস্থ মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ১১ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করা; ভিজিডি কর্মসূচিতে দুস্থ মহিলার সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখে উন্নীত করা; মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করা; সকল পৌরসভায় কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ মাকে ভাতার আওতায় আনা; অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করারও প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

একই আওতায় অর্থমন্ত্রী নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের তহবিলে আরো ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ ১০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা; ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বরাদ্দ ২০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেন।






মন্তব্য চালু নেই