মেইন ম্যেনু

বাড়িতে গ্যাস সংয়োগ আর নয় : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের জোগান থাকায় আগামী ৫০ বছরে বাংলাদেশের গ্যাসপ্রাপ্তিতে কোনো অসুবিধা হবে না। তবে এ দেশে বাসা-বাড়িতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এক বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস আমাদের দেশে আসতে শুরু করবে। এ কারণে গ্যাসের জন্য আর কারো কোনো অসুবিধা হবে না। গ্যাস সংযোগ সবাই পাবে। তবে গৃহস্থালি জ্বালানির জন্য কেউ আর গ্যাস সংযোগ পাবে না। কারণ যে কাজে গ্যাস ব্যবহার করলে জাতির উন্নয়ন হবে, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা হবে, সেসব ক্ষেত্রে গ্যাস সবাই পাবে। গ্যাসের যে মার্কেট সারাবিশ্বে, এতে আমরা নিশ্চিত আগামী ৫০ বছরে গ্যাসপ্রাপ্তিতে কোনো অসুবিধা হবে না। এ ছাড়া আমাদের এলএনজি পাম্পটা হয়ে গেলেই আমরা নির্বিঘ্নে গ্যাস সরবরাহ করতে পারব।

পায়রা বন্দর সতিক্যার অর্থে সমুদ্রবন্দর হিসেবে তৈরি হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, এ ছাড়া আমরা দুটি বড় প্রকল্পের চিন্তা করছি। একটি যমুনা থেকে শুরু করে পদ্মা পর্যন্ত চার লেন হাইওয়ে। এতে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে। আরেকটি হচ্ছে যমুনা থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রকল্প। এটি দুই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো নিয়ে আমরা একটি স্বতন্ত্র বাজেট পেশ করব। যদিও এটাকে স্বতন্ত্র বাজেট বলা উচিৎ না। বাজেটের একটি অংশ হিসেবেই এটি উপস্থাপন করা হবে। কারণ, এর উদ্দেশ্য হলো সেই দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং হিসাব পরিষ্কার করা। এর জন্য আমাদের যথেষ্ট ঋণ নিতে হবে। এগুলো সহজ শর্তের পয়সা দিয়ে চলবে না। কিছু ঋণও নিতে হবে।আগামীতে উচ্চাভিলাসী লক্ষ্যের দিকে আমরা চলছি। নতুন ভবিষ্যতের চিন্তা করছি। সেখানে বড় বিষয় হলো- আমাদের এসব প্রকল্প আমরা কীভাবে বাস্তবায়ন করব?

তিনি বলেন, আমাদের বাস্তবায়ন দক্ষতা অনেক উন্নত হয়েছে।কিন্তু এখনো সেটা যথাযথ নয়। আমরা এখনো বাজেটে প্রতিবার যে উচ্চাশা ব্যক্ত করি তা পুরোপুরি কখনো হাসিল করতে পারি না। আমাদের পারসেনটেজ অনেক বেড়েছে। ৯৩ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত করছি। কিন্তু এটাও গ্রহণযোগ্য নয়। এটাকে আরো সামনে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের দক্ষতা আরো বাড়াতে হবে। এজন্য আমরা দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমব্রেলা প্রকল্প গ্রহণ করেছি।






মন্তব্য চালু নেই