মেইন ম্যেনু

বাড়িতে টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করল ডাকাতরা

নরসিংদীর পলাশে টাকা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে ডাকাতরা। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন জানায়, উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ওই ব্যবসায়ী গত শনিবার রাতে মুরগি বিক্রি বাবদ পাইকারের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। তিনি অল্প টাকা বাড়িতে রেখে বাকি টাকা অন্য স্থানে পাঠিয়ে দেন। রাত ২টার দিকে ছয়জনের একদল সশস্ত্র ডাকাত তাঁর বাড়িতে হানা দেয়। ডাকাতরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীর কাছে মুরগি বিক্রির এক লাখ টাকা দাবি করে। ব্যবসায়ী বাড়িতে টাকা নেই জানালে ডাকাতরা তাঁকে মারধর করে।

এ সময় তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ডাকাতরা তাঁকেও মারধর করে। একপর্যায়ে ব্যবসায়ী বাসায় রাখা ১৭ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার ডাকাতদের হাতে তুলে দেন। কিন্তু ডাকাতরা বাকি টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। বাকি টাকা দিতে না পারায় ডাকাতরা ব্যবসায়ীর হাত-পা বেঁধে তাঁর সামনেই স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে স্ত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ব্যবসায়ী চিৎকার দেন।

এ সময় আশপাশের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসার আগেই ডাকাতরা পালিয়ে যায়। লোকজন ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করে পলাশ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাঁদের নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ব্যবসায়ী জানান, টাকা না পেয়ে ডাকাতরা তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে। ডাকাতদের মধ্যে স্থানীয়দের তিনি চিনতে পেরেছেন।

পলাশ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের পুলিশ গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। নির্যাতিত নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই