মেইন ম্যেনু

বাড়ির কাজের মেয়েদের চেয়েও বেশি অত্যাচারিত হন বলিউড অভিনেত্রীরা

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রত্যুষা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন বলিউড পরিচালক মহেশ ভাট। তাঁর দাবি প্রকাশ্যে বলিউড অভিনেত্রীরা নারীদের অধিকার, ক্ষমতায়ন নিয়ে মুখ খুললেও, ব্যক্তিগত জীবনে তাঁরা বাড়ির পরিচারিকাদের চেয়েও বেশি হেনস্থা হন। নিজের পার্টনারের হাতে অত্যাচারিত হতে হয় বহু প্রতিষ্ঠিত বলিউড অভিনেত্রীদেরও।

প্রসঙ্গত, প্রত্যুষার আত্মহত্যা আবার সেই পুরনো বিতর্ককে সামনে এনে দিয়েছে, অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষমতাশালী হয়েও মহিলারা তাঁদের পার্টনারদের সামনে একেবারেই অসহায়। হয়তো একাকীত্বের ভয়ই তাঁদের এভাবে সহ্য করতে শেখায়।

পরিচালক আরও বলেন, একসময় তিনি ভাবতেন মহিলারা অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন হলে হয়তো, অত্যাচারী বয়ফ্রেন্ড বা স্বামীদের হাত থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু বাস্তবে ঠিক তার উল্টোটাই ঘটেছে। শো বিজ-এ তিনি একাধিক নারীকে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন, যাঁদের প্রচুর অর্থ প্রাচুর্য রয়েছে, নারীদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বিবৃতি দিতে বললে একাধিক বিবৃতিও দেবেন, কিন্তু ব্যক্তি জীবনে তাঁরা মারাত্মকভাবে নিগৃহীত। বাড়ির পরিচারিকারাও হয়তো এভাবে হেনস্থা হতে হলে নিজেদের কাজ ছেড়ে চলে যাবে। প্রসঙ্গত অনেক সময়ই অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মহিলারাও তাঁদের স্বামীদের অত্যাচার সহ্য না করে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

‘লাভ গেমস’ ছবির সাংবাদিক বৈঠকে মহেশ ভট্টের বক্তব্যকেই সমর্থন করে ছবির পরিচালক বিক্রম ভট্ট বলেন, মূলত যে সব পুরুষেরা এধরনের অত্যাচার চালায় তাঁরা মানসিকভাবে তাঁদের পার্টনারদের হৃদয়কে নিয়ন্ত্রণ করেন। একদিন মারেন, পরেরদিন পায়ে ধরে ক্ষমা চান। তারা মহিলাদেরই অপরাধী ভাবতে বাধ্য করায়। আর সেই অপরাধবোধ থেকেই সেই নারীরা চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হন। সূত্র-এবিপি






মন্তব্য চালু নেই