মেইন ম্যেনু

বায়োমেট্রিক কেন অবৈধ নয় জানতে চান হাইকোর্ট

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে একটি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে দায়ের করা এ রিট আবেদনের শুনানি করে সোমবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এসএম এনামুল হক এ বিষয়ে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন।

রুলের শুনানি হবে আগামী ২৪ মার্চ। স্বরাষ্ট্রসচিব, আইন সচিব, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ রুলের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ মার্চ সারাদেশে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বা মোবাইল কোম্পানিগুলোর আঙুলের ছাপ নেয়া থেকে বিরত করতে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেল, টেলিটক কোম্পানিকে একটি উকিল নোটিশও পাঠান এক আইনজীবী।

নোটিশে বলা হয়, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রশন সরকার করলে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যেহেতু প্রাইভেট কোম্পানিগুলো এ কাজ করছে, তাই এসব তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে শংকা রয়েছে।

যদি এসব প্রাইভেট কোম্পানিগুলো থেকে তথ্য চুরি হয়ে দেশি-বিদেশি সন্ত্রাসীদের হাতে যায় তাহলে এর অপব্যবহারের আশংকা করা হয়েছে নোটিশে।

পরে ওই উকিল নোটিশ প্রেরণকারী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের জানান, ‘বায়োমেট্রিক ডাটা সরকার নিতে পারে। কিন্তু এখানে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে ক্ষমতা দেয়া বেআইনি। কেননা বিদ্যমান আইন এটাকে অনুমোদন দেয় না। এ ছাড়া কোন আইন আদেশের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিচ্ছে তা আমরা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে বায়োমেট্রিক ডাটা আমার ব্যক্তি অধিকার ক্ষুণ্ন করছে। আমার ব্যক্তিগত তথ্য পাবলিক ডোমিনে দিলে এটা আমার বিরুদ্ধে অপরাধীরা ব্যবহার করতে পারে। এসব তথ্য লিমিটেড কোম্পানি থেকে চুরি হয়ে যেতে পরে।’

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে সিম নিবন্ধন হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং জননিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে এমন দাবি করা হলেও অনেকেই মনে করছেন, এতে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ঘাটতি হবে।






মন্তব্য চালু নেই