মেইন ম্যেনু

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আসছেন জোবাইদা রহমান?

বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হতে যাচ্ছেন দলটির দ্বিতীয় কর্ণধার লন্ডনপ্রবাসী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। বিষয়টি নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি অনলাইন পোর্টালকে নিশ্চিত করেছেন দলটির ঊর্ধ্বতন এক নীতিনির্ধারক।

এ লক্ষ্যে বিএনপির ঘোষণা করা সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরামে ১৯ সদস্যের মধ্যে যে ১৭ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে তাতে বেগম খালেদা জিয়া বরাবরের রীতি ভেঙে এখনো কোনো নারী সদস্যের নাম ঘোষণা করেননি।

বিএনপি সূত্র জানায়, দলের আগের স্থায়ী কমিটির মহিলা সদস্য সারোয়ারি রহমানকে অসুস্থতার কারণে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা করা হয়েছে। এরপর স্থায়ী কমিটির নারী সদস্য হিসেবে আলোচনায় আসে দুইজনের নাম। এই পদে দলের প্রথম পছন্দ শিরিন আখতারের পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদের নামও আসে। কিন্তু খালেদা জিয়া কাউকেই বেছে নেননি। ভবিষ্যত রাজনীতির কথা চিন্তা করে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানকেই স্থায়ী কমিটিতে নেওয়া হবে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

কৌশলগত কারণে এখনই জোবায়দা রহমানের নামটি ঘোষণা করা হয়নি বলে খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে। এর বাইরে অন্য একটি পদের জন্য দুটি নাম নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন বেগম খালেদা জিয়া। তারা হলেন সাদেক হোসেন খোকা এবং আব্দুল্লাহ আল নোমান। এই দুজনের মধ্যে একজন স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটিসহ কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থায়ী কমিটির ১৯ সদস্যের মধ্যে ১৭ জন হলেন বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. মঈন খান, মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, জমীরউদ্দীন সরকার, তরিকুল ইসলাম, হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস।

পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করেন ফখরুল। এ ছাড়া কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন নতুন দুই মুখ। তারা হলেন সালাউদ্দীন আহমেদ এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও ড. আর এ গণির জায়গায় এই দুইজনকে নেওয়া হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ফখরুল জানান, ১৭ জনের নাম প্রকাশ করা হলো। যে দুটি পদ খালি আছে সেটির ব্যাপারে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।






মন্তব্য চালু নেই