মেইন ম্যেনু

‘বিএনপি আগেও ভারত বিরোধিতা করেছে, ভবিষ্যতেও করবে’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘বিএনপি ২১ বছর এ দেশে পাকিস্তানি কায়দায় আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে ভারতবিরোধী রাজনীতি করেছে। এমনকি পাকিস্তানের দোসর হয়ে কাজ করেছে। তারা আগেও ভারতের বিরোধিতা করেছে এখনও করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।’

রাজধানীর ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত চলমান রাজনীতি বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

‘আমরা ভারত বিরোধিতা কখনও করিনি এবং করব না’ বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপনের এমন বক্তব্যের জবাবে সুরঞ্জিত বলেন, আপনারাই বলুন এই কথাটা কি ঠিক? এর চেয়ে সত্যের অপলাপ, এর চেয়ে নির্লজ্জ মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না। কাজেই তাদের এই কথাটা বলতে হবে যে-‘আমরা অতীতে একটি বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সহায়তা করেছিল, তাদের বিরোধিতা করে ভুল করেছি। আমরা আর অকারণে ভারত বিরোধিতা করব না।’ এই কথা স্বীকার করেই তাদের এগুতে হবে। এর মধ্যে কোন ছলনা চতুরতা প্রতারণার সুযোগ নেই।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশে আগমন এ দেশে নতুন একটি মাইলফলক সৃষ্টি করবে। তার আগমনকে কেন্দ্র করে আমাদের মধ্যে যারা এতদিন অন্ধ ভারতবিরোধী রাজনীতি করেছেন তাদের জন্য অপূর্ব সুযোগ, অতীতের ভুল স্বীকার করে রাজনীতিকে শুদ্ধ করা।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেট সবচেয়ে বড় বাজেট। বাংলাদেশে ৩ লাখ ১০০ কোটি টাকার এত বড় বাজেট আর কখনও হয়নি। যত বড় বাজেট তত বড় অর্থনীতি। আমাদের অর্থনীতি বড় হচ্ছে তাই বাজেটও বড় হচ্ছে। বাজেটের প্রথম কাজটি হওয়া উচিত আসন্ন রজমানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ ব্যাপারে সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

সুরঞ্জিত বলেন, আমাদের দেশে অর্থপাচার একটি বড় সমস্যা। তাই এটি আগে বন্ধ করতে হবে। আরও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি দিয়ে এগুতে হবে। কালো টাকা সম্পর্কে বাস্তবসম্মত অবস্থান নেওয়া জরুরি।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, বিনিয়োগ যত বাড়বে অর্থনীতির শক্তি তত বাড়বে। যারা করপোরেট ব্যবসা করার জন্য জমির উপর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ব্যবসা করছেন, তাদের জন্য বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারকে বলতে হবে, ‘আপনারা কারখানা করেন নয়ত তাদের কাছ থেকে নিয়ে যারা বিনিয়োগ করতে চায় তাদের দেওয়া হবে।’ কারণ মানুষ এদেশে বিনিয়োগ করার জন্য টাকা নিয়ে ঘুরছে।

কৃষক ফসল ফলাবে কিন্তু তার ন্যায্য মূল্য পাবে না, এটা তো হতে পারে না। এ ব্যাপারে সরকারকে আরও সচেতন হতে হবে।

এই বাজেট কৃষি, ব্যবসা, বিনিয়োগ ও কর্মবান্ধব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক নারায়ণ দেবনাথ, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই