মেইন ম্যেনু

বিএনপি নির্বাচনে এলে দেশ-বিদেশে ইমেজ বাড়বে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাঁর দল ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না। আশা করি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি। তারা অংশ নিলে দেশ-বিদেশে নির্বাচনের বিশ্বস্ততা ও ইমেজ বাড়বে।

বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কাদের এ কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে শর্ত আরোপ করার সুযোগ পেয়েছে। তারা যদি বলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নাই, এটা নির্বাচন কমিশন অবশ্যই তৈরি করবে। তারা শর্ত দিচ্ছে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের। কিন্তু তা সংবিধানের কোথাও নেই। নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে কোথাও নামানোর প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন তা করবে।

দলের সাংগঠনিক সম্পাদকরা বিভিন্ন জেলার সাংগঠনিক অবস্থা ও সমস্যা নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এতে তারা সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু পরার্মশও দিয়েছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি আরো বলেন, কিছু কিছু জেলা ও উপজেলায় সমস্যা আছে। সেই সব জেলার নেতাদের ঢাকায় ডেকে সমস্যা সমাধান করা হবে। সমস্যাপূর্ণ জেলাগুলোর মধ্যে চারটি জেলার নেতাদের আগামী ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৭ এপ্রিল ঢাকায় ডাকা হয়েছে। তাদের সঙ্গে বৈঠক করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা হবে।

কাদের বলেন, ‘আমাদের দলে কিছু জায়গায় কিছু সমস্যা আছে। আগামী নির্বাচনের আগে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলকে সুশৃঙ্খল করা হবে নেত্রীর নির্দেশের মাধ্যমে।’ তিনি বলেন, হাওর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন সরকার কিছু করেনি। তিনি কিছু উদ্ভট কথা বলেছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি তিনদিন ধরে হাওর এলাকায়।

ত্রাণমন্ত্রী এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। আগামীকাল মাহবুব উল আলম হানিফের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম সেখানে যাবে। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত দলের ও সরকারের কার্যক্রম চলতে থাকবে। গত ১ মাস সরকার হাওর এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আর হঠাৎ বিএনপি একদিন হাওর এলাকায় গিয়ে ফটোসেশন করে কৃতিত্ব নিতে চাচ্ছে। আসলে বিএনপি সেখানে ত্রাণ নয় ফটোসেশন করতে গেছে।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সিলেটে আমি ২৭ মিনিট বক্তব্য দিয়েছি। কিন্তু সাংবাদিকরা তা না লিখে শেষের দিকের কাউয়ার বক্তব্যের কথা লিখেছেন। কাউয়া, ফার্মের মুরগি এগুলো মুখ্য বিষয় নয়, এটা গৌন বিষয়।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ , আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, আবদুস সোবহান গোলাপ, অসিম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, আবদুস সাত্তার, দেলওয়ার হোসেন, সামসুর নাহার চাপা, রোকেয়া বেগম, এস এম কামাল, বিপ্লব বড়ুয়া।






মন্তব্য চালু নেই