মেইন ম্যেনু

বিএনপি নেতারা নৌকা প্রতীকে !

সিলেট জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে প্রথম দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে কেবল সিলেট সদরে। গতকাল সদর উপজেলার ৮ ইউনিয়নের প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। পৌর নির্বাচনের মতো এবার ইউপি নির্বাচনেও আওয়ামী লীগে দেখা দিয়েছে বিদ্রোহ। যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন তাদের অনেকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীরা জামায়াত-বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ তুলেছেন। প্রার্থী বাছাইয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে বিদ্রোহীরা শোডাউন করে গতকাল তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সিলেট সদর উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন— জালালাবাদে আশরাফ আলী, হাটখোলায় খুর্শিদ আলম, খাদিমনগরে মো. তারা মিয়া, টুলটিকরে মো. আবদুল মোছাব্বির, টুকেরবাজারে মো. আলতাফ হোসেন, মোগলগাঁওয়ে মো. হিরণ মিয়া, কান্দিগাঁওয়ে মো. নিজাম উদ্দিন ও খাদিমপাড়ায় মো. নজরুল ইসলাম। এর মধ্যে হাটখোলার খুর্শিদ মিয়া ও খাদিমপাড়ার নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াত এবং টুলটিকরের আবদুল মোছাব্বিরের বিরুদ্ধে বিএনপি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। টুলটিকর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল মোছাব্বিরকে বিএনপি নেতা বলে অভিযোগ তুলেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী প্রজন্ম লীগ নেতা এস এম আলী হোসেন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু। তারা বলেন, তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

হাটখোলা ইউনিয়নে ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের সমান সংখ্যক ভোট পান খুর্শিদ আলম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রায় ৩০ বছরের সভাপতি মোশাহিদ আলী। দ্বিতীয়বার মতামত না নিয়ে ওই ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় খুর্শিদ আলমকে। নৌকা প্রতীকধারী খুর্শিদকে সাবেক শিবির ক্যাডার ও বর্তমানে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা। খাদিমপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট আফছর উদ্দিন। তিনি বলেন, জামায়াতের ইউপি চেয়ারম্যানের মুক্তির দাবিতে নজরুল ইসলাম অতীতে মানববন্ধন করেছেন। বিগত দিনে জামায়াত-বিএনপিকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই