মেইন ম্যেনু

বিগহার্ট লাভার বয় সাল্লুকে বিয়ে না করার কারণ জানালেন ক্যাটরিনা!

১৯৮০ সালের মিস ইন্ডিয়া খেতাব পাওয়া সঙ্গীতা বিজলানির সঙ্গে সালমানের বিয়েও ঠিক হয়েছিল। এমনকি সালমান বিয়ের কার্ডও ছাপিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বিয়ে হলো না। কারণ কি? সঙ্গীতার অভিযোগ সালমান তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সালমানের প্রেম শুধু সঙ্গীতার সঙ্গে ছিলো না, আরও এক নারীর সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন সালমান। আর এ কারণেই সালমানের বাড়া ভাতে ছাই পড়ে। সালমান খান এখনো ব্যাচেলর ডিগ্রি পার হতে পারেন নি। তবে ব্যাচেলর ডিগ্রি ডিঙানোর জন্য কম চেষ্টা করেন নি এই বজরঙ্গি ভাইজান।

সঙ্গীতা বিজলানি থেকে হালের ক্যাটরিনা কাইফ পর্যন্ত স্বপ্ন দেখার কমতি ছিলো না খান সাহেবের। বলিউডের প্রভাবশালী তারকা হওয়া সত্বেও কেন সুন্দরী প্রেমিকাদের মন পেলেন না তিনি সেই কারণটাই তুলে ধরা হলো। বিগহার্ট লাভার বয় তকমা নিয়েও বার বার প্রেমে ব্যর্থ হয়েছেন এই নায়ক। শুরুর দিকে সঙ্গীতা বিজালানিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন এই হার্টথ্রুব।

সঙ্গীতার পর এলেন সোমি আলি। ১৫ বছরের বালিকা সোমি আলি সালমানের প্রেমে পড়ে সুদূর আমেরিকা থেকে পাড়ি জমালেন ভারতে। বলিউডি সিনেমায় নামও লেখালেন তিনি। তারপর সালমানের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম। অথচ সোমি ও সালমানের প্রেম ভেঙে যায় সালমানের অ্যালকোহল আসক্তির কারণে। একটা সময় সোমি আলি তা ফাঁস করে দেন গণমাধ্যমের কাছে। জানা যায়, সালমানের বাজে আচরণ আর মাত্রাতিরিক্তি মদ্যপানের কারণেই সোমি আলি ছেড়ে যান সালমানকে।

আর তারপরই সালমানের তৃতীয় প্রেমিকা হিসেবে আগমন ঘটে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হাম দিল দে চুকে সোনম’ এ ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়েই ঐশ্বরিয়াকে দিল দিয়ে বসেন সালমান। সালমানের প্রেমের ফাঁদে ধরা দেন ঐশ্বরিয়া রাইও। দীর্ঘদিন চুপি চুপি প্রেম করলেও জানাজানি হয় নি তেমন। কিন্তু এখানেও পোস্টে বল বেশিক্ষণ রাখতে পারেননি সালমান।

যথারীতি বাজে আচরণের কারণে ঐশ্বরিয়া এড়িয়ে চলা শুরু করেন সালমানকে। আর ‘চলতে চলতে’ ছবির সেটে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বাজে আচরণ করার পর ঐশ্বরিয়া সালমানকে একেবারেই বিদায় জানান মনের অন্দর মহল থেকে। ২০০২ সালের মার্চে পাকাপাকি সালমানের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানেন ঐশ্বরিয়া।

এ আঘাত সহ্য করতে পারেননি সালমান। শোনা যায় ঐশ্বরিয়ার বাড়িতেও মাতাল হয়ে হানা দেন সালমান খান। হানা দিয়েই ক্ষান্ত হন নি, ঘরের আসবাবপত্রও ভাঙচুর করেন। পরিবারের সদস্যদের হুমকিও নাকি দিয়েছিলেন। এ কারণে থানায় সালমানের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলো ঐশ্বরিয়ার পরিবার। এমনটাই শোনা গেছে সেসময়।

ঐশ্বরিয়ার আঘাত বুকে নিয়ে সালমান আশ্রয় নেন স্নেহা উলালের বুকে। কিন্তু এখানেও ঠাই মেলেনি তার। আর তারপর আসে ২০০৫ সাল। সালমান মজলেন বিলেতি কন্যার প্রেমে। বলিউডের বার্বি ডল খ্যাত ক্যাটরিনা কাইফের প্রেমে হাবুডুবু হয়ে কাটালেন দীর্ঘদিন। সালমানের কল্যাণেই বলিউডে প্রতিষ্ঠা পান ক্যাটরিনা কাইফ।

কিন্তু এতকিছু করেও ক্যাটরিনার মনের ঘরে বেশিদিন অবস্থান করতে পারলেন না সালমান। কেন? কারণ সালমান নাকি ততটা রোমান্টিক না। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। আড়ালে হয় তো আরও কারণ থাকতে পারে। তবে সালমানের নামে মামলা, তার বাজে আচরণের শিকারও হয় তো হতে হয়েছে ক্যাটরিনাকে। আর এসবের কারণেই হয় তো ক্যাট সালমানকে ছেড়ে আশ্রয় খুঁজে নিয়েছেন রণবীর কাপুরের কাছে।






মন্তব্য চালু নেই