মেইন ম্যেনু

বিদায়ের পথে শীত

রাত আর ভোরে ঠান্ডা থাকলেও দিনের বেলায় আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক। রাজধানীতে লেপ-কম্বলের প্রয়োজনীয়তাও কমে আসছে। মানুষের গায়ে ভারী কাপড় পাতলা হচ্ছে দিনে দিনে। আর শীতবস্ত্র বিক্রেতারা দাম কমিয়ে ক্রেতা ধরার চেষ্টা করছে।

এই হলো শীতের সামগ্রিক চিত্র। যত দিন যাচ্ছে, তত কমছে কুয়াশার দাপট, নেই হাড় কাঁপানো হাওয়া। ভিড় ঠেলে বাসে উঠলে খানিকটা গরমই অনুভূত হয়। গাছের পাতাও ঝড়া শুরু করেছে। মাঝের শেষ বেলায় শীত বিদায় নেয়ার আভাস প্রকৃতিতে।

গত সপ্তাহেও হাড়কাঁপানো শীত ছিল রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে।কিন্তু গত দুই তিন ধরে ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, শীত একেবারে বিদায় নেয়ার আগে মাঝে একবার কিছুটা ঠান্ডা পড়বে আবার।

আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশে কোনো শৈত্য প্রবাহ নেই। কিন্তু কুয়াশা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকা এবং জলাভূমির আশেপাশে ভোরে কুয়াশার কারণে অনেক বেলা পর্যন্ত সূর্য দেখা যায় না। রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। আরও দুই তিন রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। এরপর আবার ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ সিলেট ও বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি অথবা গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুকনো থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশের রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ধীরে ধীরে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে।

গত সোমবার ঢাকার সর্বোচ্চ তামপাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন ১৬.৮ ডিগ্রি। আর মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একই থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় এক ডিগ্রি হেরফের হয়ে ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে।

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নীলফামারীতে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ পটুয়াখালীতে ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অন্যান্য অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই