মেইন ম্যেনু

বিদেশিদের যৌনতা মেটাতে ভারতে চলছে চুক্তিতে বিয়ে!

বিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র একটি সম্পর্ক শুরু অনুষ্ঠান। এবার সেই অনুষ্ঠানকেই অপবিত্র করা হচ্ছে শুধুমাত্র অর্থের বিনিময়ে। ভারতের হায়দারাবাদ ও এর আশপাশ এলাকায় বিদেশি পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। স্বল্প সময়ের জন্য এসব বিদেশি হয়ে যাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দা! খায়েশ মিটলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন নিজ দেশে। আর এ খায়েশের বলি হচ্ছেন এখানকার কিশোরীরা।

অভিযোগ উঠেছে, এসব অপরাধের পিছনে সহায়তা করছে স্থানীয় কাজীরা। বিদেশিদের চাহিদা মেটাতে তারাই নাকি মেয়েদের টাকার বিনিময়ে বিয়ে দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে টাকার লোভ দেখিয়ে বহু নাবালিকার অভিভাবককে প্রলুব্ধ করছে। এক্ষেত্রে বিয়ে হচ্ছে একটা চুক্তির মাধ্যমে। চার সপ্তাহের সেই চুক্তি মিটতেই স্ত্রীকে তালাকও দিয়ে দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, বিদেশিদের যৌন চাহিদা মেটাতেই একটি চক্র কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর তাই বিয়ের সার্টিফিকেটের সঙ্গে তৈরি রাখা হচ্ছে বিবাহবিচ্ছেদের ডকুমেন্টও। সম্প্রতি পুলিশের কাছে এমন অভিযোগ আসে। এরপর পুলিশ হায়দারাবাদের মোঘলপুরা থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া ওই নাবালিকার উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ বলছে, ওই নাবালিকার বাবা-মা একজন সুদানি ব্যক্তির কাছ থেকে ১২শ পাউন্ড নেন এবং তাকে ওসামা মোহাম্মদ নামে এক সুদানের নাগরিকের কাছে পাঠানোরও আশ্বাস দেন। ওই নাবালিকার চাচি মমতাজ বেগম তাকে ও অন্য তিনজনকে একটি হোটেলে নিয়ে যান। পরে ওসামা আরো দু’ব্যক্তিকে নিয়ে আসেন নাবালিকাদের বাড়ি। একজন কাজী তাদের বিয়েও দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বিজয় কুমার জানান, ওই সুদানি ব্যক্তি বিয়ের পরদিন নাবালিকা স্ত্রীর বাড়ি যান। তারসঙ্গে মিলনের জন্য জোরও করেন। কিন্তু, ওই নাবালিকা ঘর থেকে পালিয়ে আসে। এরপর তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পেট্রলিং টিম। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বর, নাবালিকার চাচী ও কাজীকে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে নাবালিকার অভিভাবকদের বিরুদ্ধেও। সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে ওই নাবালিকাকে।






মন্তব্য চালু নেই