মেইন ম্যেনু

বিদেশি হত্যায় বিএনপির সংশ্লিষ্ঠতা নেই

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ঢাকা মহানগর বিএনিপ নেতা এম এ কাইয়ুমকে দুই বিদেশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত কথিত ‘বড়ভাই’ আখ্যা দেয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

এ ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপির সঙ্গে তাদের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিপন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি দুই বিদেশি খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের লক্ষ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির দুজন নেতার নাম উল্লেখ করেছেন। একটি বেসরকারী টেলিভিশনকে তিনি বলেছেন বিএনপি নেতা কাইউমই সেই ‘বড় ভাই’।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি আগেই ধারণা করেছিল এই ঘটনায় বিএনপিকে জড়ানো হবে। বিদেশি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিএনপি যেই আশঙ্কা করেছিল সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।’

বিএনপির কোনো কোনো নেতার নাম জড়িয়ে যে আজগুবি ও কাল্পনিক অসত্য কথা বলা হচ্ছে তাতে সত্যের লেশমাত্র নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দুই বিদেশি হত্যার ঘটনায় বিএনপিকে আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসী সংগঠন বানানো অপচেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে রিপন বলেন, ‘বিরোধীদলকে সন্ত্রাসী সাজানোর নাটক বন্ধ করুন। এভাবে দেশের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন হবে। বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। মানুষ আতঙ্কিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার পর থেকেই সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে আসছিল। সরকারের এরকম মনোভবের কারণে প্রকৃত খুনিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।’

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার উদ্দেশ্যে যাতে বিএনপিকে জড়ানো না হয় এজন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘সরকারের ঘনিষ্ঠ সমর্থক দৈনিক জনকণ্ঠে তাজিয়া মিছিল থেকে হামলার বিষয়ে নানা পরিকল্পনা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনটি ২১ অক্টোবর প্রকাশিত হলেও ঘটনা ঘটেছে ২৪ অক্টোবর। যেহেতু গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকলে এ ঘটনা এড়ানো যেতো।’

বিদেশি হত্যার ঘটনায় তদন্তে বিএনপির কারো সংশ্লিষ্টতা থাকলে দলটির অবস্থান কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে রিপন বলেন, ‘বিএনপি হত্যা খুনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। নিরপেক্ষ তদন্তে বিএনপির সম্পৃক্ততা থাকার কোনো কারণই নেই।’

ব্লেম গেম বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মুখপাত্র।






মন্তব্য চালু নেই