মেইন ম্যেনু

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশের ওপর প্রতিশোধ

কাগজপত্রবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর অভিযোগে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই লাইনম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে যশোর ট্রাফিক পুলিশ। প্রতিশোধ নিতে ট্রাফিক পুলিশের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

শনিবার সকালে যশোরে ট্রাফিক পুলিশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে পাল্টাপাল্টি এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ বিভাগের দুই লাইনম্যান সুমন ও নাসিরকে শহরের দড়াটানায় দাঁড় করান ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট জহুরুল হক। তবে তারা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে যশোর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট জহুরুল হক বলেন, ‘তারা বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী হলেও পরিচয় দেননি। অভিযানের সময় অন্যদের মতো তাদের কাছেও কাগজপত্র দেখতে এবং হেলমেট ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাই। তারা ‘ভাব’ নিয়ে বলেন, আমাদের কাগজপত্র লাগে না। পরে তাদের মোটরসাইকেলের বিপরীতে মামলা দেয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মোটরসাইকেলটি বিদ্যুৎ বিভাগের কিনা তা লেখা ছিল না। তারপরও তারা যদি পরিচয় দিতেন, তাহলে মামলা দিতাম না। কিন্তু এ ঘটনার জের ধরে তারা বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিয়েছে, এ কেমন কথা।’

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো)লাইনম্যান আলতাফ হোসেন জানান, সুমন ও নাসির নামে তাদের দুই লাইনম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। গাড়ির কাগজপত্র ছিলো, কিন্তু হেলমেট ব্যবহার না করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

এদিকে, ট্রাফিক পুলিশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটছে। তবে এসব অসুবিধা ও অবৈধ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করেন যশোর ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর ওলিউজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘ট্রাফিক অফিসের পেছনে পুলিশ ক্লাবের কাজ হচ্ছে। তাই সেখানকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে আমাদের অফিসের লাইনও ভুলবশত কেটে গেছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শুধু ট্রাফিক অফিসে না কোতোয়ালি থানায়ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। সেখানেও অভিযান চালানো হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন যদি হেলমেট ছাড়া রাস্তায় চলতে গিয়ে মামলা খায়। তবে পুলিশ কেন অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে।






মন্তব্য চালু নেই