মেইন ম্যেনু

বিপিএল ইস্যুতে ক্ষেপলেন আসিফ

ক্রিকেট বরাবরই টানে আসিফকে। কণ্ঠশিল্পী না হলে তিনি হয়তো ক্রিকেটারই হতেন। গেলো বিপিএলে বরিশালের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর ছিলেন আসিফ। কিন্তু বিপিএলে নিজের কুমিল্লার দল থাকা সত্ত্বেও কেন বরিশালের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর আসিফ, এটা নিয়ে চলে সমালোচনা। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে কুমিল্লা ক্লাবের মেম্বারশীপ ছাড়তে বাধ্য হন আসিফ।

আসলে কি কি ঘটেছিলো যার জন্য এতকিছু হয়ে গেলো? ১৯ ডিসেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে তার উত্তর দেন আসিফ। আসিফের সেই বক্তব্য তুলে ধরা হল পাঠকদের জন্য…

নড়াইলের সন্তান মাশরাফী কুমিল্লার ক্যাপ্টেন, শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারা ঢাকার, মাগুড়ার সাকিব রংপুরের, বগুড়ার মুশফিক এবং পাকিস্তানের আফ্রিদি সিলেটের, ময়মনসিংহের মাহমুদুল্লাহ বরিশালের, একমাত্র লোকাল ক্যাপ্টেন ছিলো চট্টগ্রামের তামিম। বাংলাদেশের কোচ হাতুরুসিংহে নিশ্চয়ই শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা হলে তার দেশের পক্ষ নেবে না !!!!

খেলাতে ইমোশনের সুযোগ নেই, এখানে পেশাদারিত্ব এবং কমিটমেন্ট মুখ্য। কুমিল্লার ফ্র্যাঞ্জাইজি নিশ্চিত হওয়ার আগেই আমি বরিশাল বুলসের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গেছি। দল গঠন থেকে শুরু করে সব কর্মকাণ্ডে আমি ছিলাম সম্পৃক্ত, বুলসের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর। কমিটমেন্ট যাদের নেই তারা ব্যক্তিত্বহীন। কমিটমেন্ট রক্ষা করতেই আমি বরিশালের সমর্থক ছিলাম। আবার এটাও বলেছি বিজয় উৎসব হলে আমি থাকবো, যে দলই চ্যাম্পিয়ন হউক। বুলস এর দুই মালিকের নানাবাড়ী কুমিল্লায়।

কুমিল্লার মানুষের তো ভালো লাগার কথা- তাদের ছেলে বরিশালের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর। ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা নিয়েই খেলতে হবে, খেলা উপভোগ করতে হবে। আমি কুমিল্লা ক্লাবের মেম্বারশীপ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি বিরক্ত হয়ে, সেখানে বরিশাল ক্লাব আমাকে দিয়েছে-আজীবন সদস্যপদ। দেশে বিদেশে আমি কুমিল্লার প্রতিনিধিত্ব করছি রসমলাই আর খদ্দরের মতই । তারপরও হীনমন্যতায় ভোগা কুমিল্লার কিছু মানুষের প্রতি সত্যিই করুনা হয়। কারো কাছে আমার কুমিল্লা প্রেম শিখতে হবে না। সামাজিক যোগাযোগা মাধ্যমে অসামাজিক লোক ঢুকে গেছে ভিক্ষার চাল কাঁড়া আকাঁড়ার মত।






মন্তব্য চালু নেই