মেইন ম্যেনু

বিবস্ত্র করে নির্যাতিত সেই কিশোরকে উদ্ধার, আটক ২

ফেনীতে চুরির অভিযোগে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের স্বীকার কিশোর রনি ওরেফে হৃদয় (১৫) কে ঘটনার ৫ দিন পর সেই উদ্ধার করেছে ফেনী মডেল থানা পুলিশ।

বুধবার বিকেলে ফেনী শহরের সহদেবপুর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। রনি কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে। বর্তমানে ফেনী শহরের সহদেবপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন।

রনিকে উদ্ধারের ব্যাপারে ফেনীর পুলিশ সুপার রেজাউল হক পিপিএম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ঘটনাটি শোনার পর পুলিশ কিশোর রনিকে উদ্ধার করে। এঘটনায় ৬জন আসামি করে ফেনী মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িত প্রদিপ ও সবুজ নামে দুইজনকে আটক করেছে। বাকীদের আটকের চেষ্টা চলছে। রনি গত ৫ বছর ধরে ভাঙ্গারী ব্যবসার সাথে জড়িত। তার বাবাও এ ব্যবসা করতেন। তারা ভাই-বোন তিনজন।

রনির মা মনি জানান, ‘রনি আমার একমাত্র ছেলে। তার বাবা আমাদের খোঁজ খবর রাখেনা। তিনি নিজে যে টাকা রোজগার করেন তা আমাদেন কাউকে দেন না। রনির টাকায় আমাদের সংসার চলে। যারা আমার ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে পঙ্গু করেছে আমি তাদের বিচার চাই।’

এব্যাপারে রনি জানায়, ১ এপ্রিল আমি সেখানে চুরি করতে যাইনি। আমি দীর্ঘদিন থেকে ভাঙ্গারী ব্যবসা করি। সেখানে দু’টি খালি বোতল আনতে গেলে কয়েকজন লোক আমাকে চোর চোর বলে আটকে রাখে।

পরে মারধর করে আমার প্যান্ট খুলে নিয়ে যায়। আমি তাদের বাপ ডাকলেও তারা আমাকে মাফ করেনি। পরে মার খেয়ে সিএনজি করে সহদেবপুর চলে যাই। ডাক্তারের সাথে কথা বলে ১৬’শ টাকার ওষুধ কিনে নেই।

প্রসঙ্গ, গত ১ এপ্রিল দুপুরে চুরির অপরাধে ফেনী শহরের কালিপাল দশমী ঘাট এলাকায় রনিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দোকানদাররা। ঘটনার পর নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজটি কে বা কারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার পর ফেনীতে সব মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই