মেইন ম্যেনু

বিলুপ্ত ছিটমহলে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশের অংশ হওয়ার পর বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দাদের শিক্ষার উন্নয়নে একাধিক সরকারি প্রাথমিক, বেসরকারি মাধ্যমিক ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলারও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী-১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দু’টি দেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়।

বাংলাদেশের পতাকা পাবার পর থেকেই বদলে যেতে থাকে বিলুপ্ত ১১১টি ছিটমলের চিত্র। এরই একটি হচ্ছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়া। শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এই এলাকাগুলোর জন্য।

প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ এলাকার জন্য কিছু দিক নির্দেশনা ঠিক করে দিয়েছেন। এবং তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেভাবে উন্নয়ন পাচ্ছেন ঠিক সেভাবে এই ছিটমহলের মানুষগুলো উন্নয়ন পাবেন। তাই প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি তার ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা সবসময় প্রকাশ করেন।

এরই মধ্যে একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। তিনি আরো জানান, বিলুপ্ত ছিটমহগুলোতে ১২টি প্রাইমারি স্কুলের দরকার। ইতিমধ্যে আমরা প্রায় সাত কোটি টাকার মাধ্যমে সাতটি প্রাইমারি স্কুলের নির্মাণ কাজে হাত দিয়েছে। অনেকগুলো নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেছে। প্রায় দুইশ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নয়ত সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো তৈরি করতে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে সরকার।






মন্তব্য চালু নেই