মেইন ম্যেনু

‘বিল্পবেশ্বর’, যে মানুষের জন্ম একবারই হয়

দিনটা বিশেষ হত না, যদি না মারাদোনা এই দিনে জন্মাতেন। ১৯৬০ সাল। অক্টবরের প্রথম দিনটায় বিশ্ব দেখেছিল স্বাধীনতা বিপ্লব। ব্রিটেনের কাছ থেকে নিজেদের স্বাধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল কালো রঙের জেদি মানুষগুলো। ভালো শব্দে বিশ্ব যাদের কৃষ্ণাঙ্গ বলে চেনেন। অবশ্য কৃষ্ণের রঙও কালো আবার কালির রঙও কালো। যাবেন কোথায়। কালো প্রেমে জগৎ আলো, আর কালোতেই ধ্বংস ধ্বনি। ধ্বংস করতেই বোধয় তাঁর আবির্ভাব। এই ‘ধ্বংস’ ফুটবল রেকর্ডকে চুরমার করার সাহস। আবার কালো তে কলঙ্কও আছে। ‘হ্যান্ড অব গড’। কলঙ্ক বলবেন না গৌরব বলবেন সেটা একান্তই ব্যাক্তিগত। আসা যাক অক্টোবরের শেষ হয়ে যাওয়ার ঠিক আগের দিনটাই। হ্যাঁ, ওই ৩০। ওই দিনটা সূর্য ঠিক একই রকম ভাবে উঠেছিল। গাছের পাতাগুলোও হাওয়ার সঙ্গে নিজেকে দোলানোর সময় কোনও বেনিয়ম করেনি। অন্তত কাল্পিকরা তাই বলেন। একটু আগে যে কালো দিয়ে লেখাটা এগোচ্ছিল সেই কালো থেকেই আলোর প্রসঙ্গে আসি। আলো তো বটেই। পরের পর দিনটার কথা স্মরণ করিয়ে দিই। নভেম্বর মাস। বিল্পবের মাস। আর বিপ্লবের মাস যখন তখন ‘বিপ্লবেশ্বরের’ চিঠির কথা না বলে থাকিই বা কি করে? ফুটবলের ঈশ্বরকে চিঠি লিখেছেন বিল্পবের ঈশ্বর।

ফিদেল কাস্ত্রো। হ্যাঁ। কিউবার রাষ্ট্রনায়ক। এখনও যাকে বাম রাজনীতির শেষ নক্ষত্র বলে মানে গোটা বিশ্ব। মারাদোনার জন্মদিনে হঠাৎ তাঁর কথা বলছি ভেবে অবাক হবেন না। এই কারণেই বলছি, তারা মার্কা টুপি আর গেরিলা ওয়ারের নায়ক বন্দুকের বদলে কলম হাতে শেষ চিঠিটা যাকে লিখেছেন তাঁর নাম দিয়েগো মারাদোনা। ফিদেল মৃত, গুজবকে ফু মেরে উড়িয়ে দিয়েছিল ওই চিঠি।

কলকাতার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রো ও দিয়েগো মারাদোনা। দুইয়েরই অদ্ভুদ একটা মিল। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর। এখন থেকে দাঁড়িয়ে ৭টা বছর আগে। কলকাতায় এসেছিলেন মারাদোনা। ফিদেল কলকাতায় এসেছিলেন ১৯৭৩ সালে। আজ থেকে প্রায় ৪২টা বছর আগে। ৬ গুণ ৭ করলেই অঙ্কটা কেমন মিলে যায়। যাই হোক মারাদোনার বয়স এখন ৫৫। নিউমেরলজি অনুযায়ী ৫ সংখ্যাটা আবার কৌতূহল ও স্বাধীনতা ও পরিবর্তনের প্রতীক। মারাদোনার বয়সে এখন দুটো ৫। তাহলে একবার ভেবেই দেখুন আগামীটা কি হতে চলছে…

‘ফিদেলের বন্ধু আমাদের বন্ধু’।

সূত্র: জি নিউজ






মন্তব্য চালু নেই