মেইন ম্যেনু

বিশ্বাস করেন আর নাই করেন এটাই সত্য!

এমন অনেক ঘটনা আছে যা বিশ্বাস করা বেশ কঠিন। কিন্তু মানো ইয়া না মানো, এটাই সত্যি। এমনই কিছু অবিশ্বাস্য কাহিনি।

পেজা তুলোর মতো আকাশে ভেসে বেড়ায় মেঘ। তবে জানিয়ে রাখি দেখতেই সাদা তুলো। মেঘের ওজন মটেও তুলোর মতো হালকা নয়। এক একটি ওজন সাধারণত ১.১ মিলিয়ন পাউন্ড হয়। যা একশোটি হাতির ওজনের সমান।

জন্মদিনে আমরা সবারই ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ গানটি গেয়ে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন, হ্যাপি বার্থডে গানটির কিন্তু কপিরাইট আছে। এই কপিরাইটের মালিক ওয়ার্নার/চ্যাপেল মিউজিক কোম্পানি। কপিরাইট মূল্য ৫ মিলিয়ন ডলার।

দেশলাইয়ের আগে লাইটার আবিষ্কার হয়েছিল।

চার্লি সাজ। এমন এক প্রতিযোগীতায় চার্লি চ্যাপলিন নিজেই হেরে গিয়েছিলেন। কে জিতেছিল, তাঁর নামটা অবশ্য জানা যায়নি।

জল নয় বৃহস্পতিতে হিরের বৃষ্টি হয়। তবে দুঃখের বিষয়, ইচ্ছে করলেও আপনার স্ত্রীকে সেখানে পাঠাতে পারবেন না!

১৯৪৫ সালে আমেরিকার কলোরাডো শহরে ঘটনাটি ঘটেছিল। লয়েড অলসেন নামে একটি মোরগকে তার মালিক খাওয়ার জন্য মুণ্ডচ্ছেদ করতে যান। কিন্তু বরাতজোরে মাথার একাংশ এবং নলিতে কোপ পড়েনি। মাথার অর্ধেক বাদ চলে গেলেও প্রাণে বেঁচে যায় সাড় পাঁচ মাসের মোরগটি। ব্যস, ‘মিরাকেল মাইক’ হয়ে যায় ওই মোরগটি। অনেকেই এই ঘটনা বিশ্বাস করেনি। শেষ পর্যন্ত সত্যতা প্রমাণ করতে মুণ্ডবিহীন ওই মোরগটিকে নিয়ে সোজা উটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হয়েছিলেন তার মালিক। মুণ্ডবিহীন অবস্থায় ১৮ মাস বেঁচেছিল ওই মোরগটি। এখনও কলোরাডো শহরে ‘মাইক, দ্য হেডলেস চিকেন ডে’ বলে মে মাসে একটি দিন বিশেষভাবে উদযাপিত হয়।






মন্তব্য চালু নেই