মেইন ম্যেনু

বিশ্বে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে

বিশ্বে ২০৫০ সাল নাগাদ মুসলিম জনসংখ্যা হবে খ্রিস্টানদের প্রায় সমান। ইসলাম হবে এ গ্রহের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বিশ্বাস। বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে করা এক হিসাবে (প্রজেকশান) এমনটিই দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ রিসার্চ’-এর ধর্মীয় রূপরেখাবিষয়ক ভবিষ্যদ্বাণীতে এ কথা বলা হয়েছে। সারা বিশ্বের জন্মহার, যুব জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা এবং ধর্মান্তরের পরিসংখ্যানের তথ্যের ভিত্তিতে এ ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে পিউ রিসার্চ।

গবেষণায় দেখা যায়, ‘আগামী চার দশকে খ্রিস্টানরা সবচেয়ে বড় ধর্মীয় গোষ্ঠীই থাকবে, তবে ইসলাম অন্য যেকোনো প্রধান ধর্মের চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।’

প্রতিবেদনের লেখক ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, ২০৫০ সাল নাগাদ মুসলিম জনসংখ্যা হবে ২৭৬ কোটি। ওই সময়ে খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর লোক হবে ২৯২ কোটি। এটি হবে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৯ দশমিক ৭ ও ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ।

২০১০ সালে পৃথিবীতে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি। খ্রিস্টান ছিল ২১৭ কোটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সাল নাগাদ তৃতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হবে হিন্দুরা। তাদের সংখ্যা হবে পৃথিবীর জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নয়, এমন লোকের সংখ্যা হবে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মুসলিমদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে। এখানে তারা বাড়তি সুবিধা হিসেবে যুব জনগোষ্ঠীর সংখ্যার আধিক্যের সঙ্গে পাবে উচ্চ প্রজনন হার।

গবেষণায় বলা হয়, ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি মুসলমানের বসবাস হবে ভারতে। যদিও দেশটিতে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠই থাকবে। এতে আরো বলা হয়, ইউরোপের মোট জনগোষ্ঠীর ১০ শতাংশই মুসলমান। বর্তমান প্রবণতা চলতে থাকলে ২০৭০ সালের পর সবচেয়ে জনপ্রিয় ধর্মবিশ্বাস হবে ইসলাম।






মন্তব্য চালু নেই