মেইন ম্যেনু

বিশ্বে ধর্মীয় স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে

গত এক বছরে বিশ্বে ধর্মীয় স্বাধীনতা ভয়াবহ ও ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ) সোমবার তাদের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৫ সালে তাদের প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় স্বাধীনতা ভয়াবহ ও ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচারী সরকারগুলো বিবেকবানদের বন্দি করেছে, যাদের বেশির ভাগই খ্রিষ্টান ও মুসলমান। তারা ধর্মীয় বিশ্বাস চর্চার জন্যই বন্দি হয়েছেন। একই সময়ে ইউরোপে ইহুদি ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে গোঁড়ামি বাড়ছে।

স্বাধীনভাবে কাজ করা সরকারি এই সংস্থাটি বলছে, নতুন করে দীর্ঘ মেয়াদে বিবেকবানদের কারাবন্দি থেকে শুরু করে শরণার্থীদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ ইউরোপে ইহুদি ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্যান্য নিপীড়ন সবই আছে এই প্রতিবেদনে, বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত ভোগান্তির কোনো কমতি নেই।

ইউএসসিআইআরএফের চেয়ারম্যান রবার্ট জর্জ বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে পরিস্থিতির কোনো উন্নয়ন হয়নি এবং কিছু কিছু জায়গায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে।’

প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা অ্যাক্টের আওতায় আবারও পাকিস্তানকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশের’ বা সিপিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ২০০২ সালে সংস্থাটির পক্ষ থেকে একই ধরনের আহ্বান জানানো হয়েছিল।

একই সঙ্গে মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, মিশর, ইরাক, নাইজেরিয়া, সিরিয়া, তাজিকিস্তান ও ভিয়েতনামকেও সিপিসিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই