মেইন ম্যেনু

বিয়ের তেইশ বছর পূর্তি আসিফের

তেইশ বছর আগে এই দিনে সালমা আসিফ মিতুকে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। তারকা আসিফ নয়, একজন সাধারণ আসিফকে ভালোবেসে তার সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন মিতু। বিয়ের সময় আসিফের বয়স ছিল উনিশ বছর তিন মাস। বড় তিন ভাইকে ফেলে অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়াকালীন বিয়ে করে ফেলেন আসিফ।

বিয়ের সময় তেমন কিছু করতেন না আসিফ। বাবা-মার পূর্ণ সাপোর্টে ভালোই চলছিল তার দিন। বিয়ের চার বছর পর জন্ম হয় বড় ছেলে রণর। এবার কিছু করার তাড়না জন্মাল তার মধ্যে। স্ত্রী শিক্ষকতা করতেন। আসিফ পড়াশোনার পাশাপাশি ‘ফিকল বয়েজ’ নামের একটি ব্যান্ড গড়লেন। অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষা দেওয়ার পর ঢাকায় চলে আসলেন আসিফ। সেটা ১৯৯৭ সালের কথা। বাসা থেকে চল্লিশ হাজার টাকার একটা ফান্ড দেওয়া হয় তাকে। ৯৭ সালের অক্টোবরের দিকে ঢাকায় স্ত্রী মিতু এবং সন্তান রণকে নিয়ে আসলেন। এরপর শুরু হল একটি সুযোগের খোঁজ। তবে কিছু তো একটা করতে হবে বেঁচে থাকার জন্য। আসিফ শুরু করলেন সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবসা। এরমধ্যে পরিচয় হল শওকত আলী ইমনের সঙ্গে। তার সঙ্গে সহকারী হিসেবে কাজ করা শুরু করলেন।

৯৮ সালের ১৫ জুলাই প্রথম গান করলেন ‘রাজা নাম্বার ওয়ান’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। একটি গানের পর আর তেমন গান করার সুযোগ আসলো না। হতাশ হলেন না আসিফ। স্টেজ শো এবং সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবসা দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করলেন। ৯৯ সালে মাঝামাঝি সময়ে জন্ম হল দ্বিতীয় সন্তান রুদ্র’র। শুরু হল দারিদ্র্যতার সঙ্গে আসিফের লড়াই। কিন্তু কখনও তা নিজের পরিবারের মানুষকে বুঝতে দেননি। আসিফের দুর্দিনের একমাত্র সাক্ষী হয়ে থাকলেন স্ত্রী মিতু।

asif-mitu-rono-rudra

স্ত্রী মিতু আর দুই ছেলের সাথে আসিফ

হাজারো চড়াই-উৎরাই পেড়িয়ে ২০০১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হল ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবাম। ব্যাস, আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক কাজ আসতে থাকল। সঙ্গীতাঙ্গনে বেড়ে গেল আসিফের ব্যস্ততা। একের পর এক শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিতে থাকলেন। বিষয়টা এমন হল যে আসিফ মানেই হিট গান। একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে কাজ করতে থাকলেন তিনি। এরপর খ্যাতি-টাকা কি না পাননি আসিফ। কেটে গেল জীবনের অন্ধকার। স্ত্রী মিতু, দুই সন্তান রণ এবং রুদ্রকে নিয়ে আজ সুখের জীবন যাপন করছেন আসিফ আকবর। আওয়ার নিউজ বিডি পরিবারের পক্ষ থেক শুভকামনা রইলো আসিফ-মিতু দম্পতির জন্য।






মন্তব্য চালু নেই