মেইন ম্যেনু

বিয়ের পর যে আটটি প্রশ্ন করলে মনে মনে বিরক্ত হন নববধূ

বিয়ের আগে মহিলাদের নানা কথা শুনতে হয়। বিয়ের পরও অনেকেই নানা প্রশ্ন করে থাকেন। নতুন নতুন নানা প্রশ্নের সূচনা ঘটে। বিয়ের পর এসব কথা শুনতে শুনতে মহাবিরক্ত হয়ে যান বিবাহিতা মহিলারা। যদিও বিরক্ত হন মুখের ওপর কথা শুনিয়ে দিতে পারেন এমন মহিলা কমই আছেন।

১) বিয়ের আগে মেয়েদের শুনতে হতো ‘বিয়ে কবে করছ?’, বিয়ের পরও কিন্তু কথা শোনার হাত থেকে একেবারেই নিস্তার নেই। বিয়ের পরে শুনতে হয় ‘বাচ্চা কবে নিচ্ছ, সন্তানের ব্যাপারে কি ভাবছ’। বাচ্চা না নেয়ার আগ পর্যন্ত একই কথা সবখানে শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে যান অনেক মহিলাই।

২) বিয়ের পরপরই যার সাথেই দেখা হোক না কেন, পাড়া-প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজন সবার একই প্রশ্ন- ‘কেমন লাগছে বিয়ে করে’। সবার প্রশ্নে বিরক্ত হলেও কিছু করার নেই, হাসিমুখেই তাকিয়ে থাকতে হয়।

৩) বিয়ের পর ১টি নয় ৩টি সংসারের দায়দায়িত্ব ঘাড়ে চেপে যায়। তখন মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় একটু হলেও পরিবর্তন আসেই। এটিই স্বাভাবিক। এ নিয়ে কথা বা প্রশ্ন করা পুরোপুরি অবাঞ্চক।

৪) নাম পরিবর্তন করাটা কি খুব জরুরি? একজন মেয়েকে বিয়ের সাথে সাথেই নাম পরিবর্তন করতেই হবে? যদি তার স্বামী-শ্বশুরবাড়ি কিছুই না বলেন তারপরও পাড়া-প্রতিবেশিদের এতো আগ্রহ কেন তা কিছুতেই বুঝতে পারেন না বিবাহিতা মহিলারা।

৫) অনেকেই মনে মনে ভাবেন, ‘জ্বি, আপনি টাকাটা পাঠিয়ে দিন, কালকেই কিনে ফেলবো’। যিনি সংসার চালান তিনিই জানেন তার কতোটা কীভাবে সামাল দিতে হয়।

৬) মানুষের প্রশ্নের কোনো সীমা নেই এবং শেষও নেই। মেয়েটির কাছে জিজ্ঞেস করবে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কথা এবং সেটাকে বড় করে রঙমাখিয়ে উপস্থাপন করবে শ্বশুরবাড়ির মানুষের সামনে।

৭) পরের ঘরের কথা শুনতে সবাই একধাপ এগিয়ে থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে কি না তা দিয়ে তারা কি করবেন? আর বুদ্ধিমতী স্ত্রী হলে নিজের ঘরের কথা কখনোই বলবেন না- তা জেনেও একই প্রশ্ন সবসময়।

৮) তুমি বুঝবে না- এ কথা শুনলে বিবাহিতা মহিলারা ভাবেন, ‘হ্যাঁ, আমি তো আর বিয়ের আগে জীবন পার করিনি, তাই বুঝবো না’।






মন্তব্য চালু নেই