মেইন ম্যেনু

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টানা ৭ মাস ধর্ষণ : অতঃপর অন্তসত্ত্বা….

এম.এ আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোটার, নোয়াখালী : নোয়াখালী সুবর্ণ চরের নারী প্রচার সদস্যের গভীর
ভালোবাসায় সাত মাসের অপগর্ভ আদালতে মামলা। সদর উপজেলা চর শুল্লকিয়া এই ঘটনা ঘটে। আদালতের অভিযোগের সুত্রে জানা যায় সূবর্ণ চর উপজেলার ৭নং পূর্ব চর ভাটা ইউনিয়নের পূর্ব চর ভাটা গ্রাম ৫নং ওয়ার্ড মাষ্টার মেস্তরী বাড়ীর মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে আমিনুল হক শুকুর (২৬) একই ইউনিয়নের চর মজিদ গ্রামের ওমর মেস্তরীর বাড়ীর ওমর ফারুকের ছেলে নোমান (২৪) সদর উপজেলার চর শুল্লকিয়া মনির আহাম্মদ এর মেয়ে নার্গিস আক্তার (১৭) কে ১৭ই জুন ২০১৫ইং সোমবার দুপুর ১২টায় তার পিত্রালয়ের হইতে সোনাপুর থেকে চট্টগ্রামের বাসে উঠায়া চট্টগ্রামে নিয়া আমিনুল হক শুকুর তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে অজ্ঞাত স্থানে ও বিবাহের ফলবান দিয়ে দীর্ঘ সাত মাস পর্যন্ত ধর্ষন করে।

সকাল ১১টায় বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নোয়াখালী উপস্থিত মোঃ মাহতাব হোসেন,উপস্থিতিতে নার্গিস আক্তার বাদী হয়ে একখানা নাঃশিঃনিঃ মামলা দায়ের করেন। যাহা আদালতের মামলা নং-৩২২/২০১৬ইং ধারা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৯ (১)১৩/৩০ এবং বাদী নার্গিস আক্তার আদালতের অভিযোগে উল্লেখ্য করেন আমিনুল হক শুকুর ও নোমান,নারী পাচারকারী,বেআইনী,পতিতা ব্যবসায়ীর সদস্য হয়।

১ও ২নং আসামী নারী পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য তারা আমার নিকটস্থ আত্মীয়র সুবাদে আমাদের বাড়ীতে আসা যাওয়া করিত। আসা যাওয়ার প্রেক্ষিতে আমার উপর ১নং আসামীর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে এবং এই পাচারকারী দের সাথে আমার গভীর ভালবাসা সৃষ্টি হয়। প্রবর্তীতে ২নং আসামীর সাথে অপরিচীত আরো দুই তিন জন পাচারকারী লোক অজ্ঞাত স্থানে রুমে নিয়া আসত এবং আমি জানতে পারি আমাকে টেকনাফ দিয়া মানব পাচার রুটে বিক্রি পূর্বক পাচার করার সিদ্ধান্ত হয়। আমি ভয়ে কান্না কাটি করিয়া ১নং আসামীর পা ধরিয়া অনুনয় বিনয় করিয়া বলি আমাকে যেন পাচার না করিয়া আমাকে যেন আমার বাড়ীতে পাঠাইয়া দেয়। কিন্তুু কুঠিল পাচারকারী আমার কথায় কর্নপাত না করিয়া মোটা অংকের টাকা নিয়া অজ্ঞাত নামা পাচার কারীর নিকট আমাকে বিক্রি করিয়া দেয়। পাচারকারী দল আমাকে আটকাইয়া রাখে, ১নং আসামী পাচারকারীদের সাথে গোপনে দেখাশুনা করিত আমি কৌশলে আমিনুল হক শুকুরকে আমার অসুস্থ্যতহার কথা বলে লোকালয়ে ডাক্তারের নিকট আসি এবং বলি আমাকে বাড়ীতে পাঠাইয়া দাও না হয় আমি শোর চিৎকার দিব। আমিনুল হক শুকুর জনতার হাতে আটক হওয়ার ভয়ে আমাকে নোয়াখালীর গাড়িতে উঠাইয়া দিলে আমি আমার পিতার শাষনের ভয়ে আরজি ৫নং স্বাক্ষী মোস্তফা মিয়া বাড়ীতে আসি।

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তার নিকট খুলে বলে ৫নং স্বাক্ষী মোস্তফা মিয়া আসামীদের পিতা মাতা ও সমাজে গন্য মান্য সবাইকে বিষয়টি জানায় এবং স্থানীয় ভাবে গন্যমান্য লোক জন দেরকে বিষটি জানায়। উক্ত শালিশে আসামীরা হাজির না হওয়ায় শালিশ মিমাংসা কিংবা আমি বাদীনির সাথে কোন রূপ যোগা যোগ না করায় অত্র আদালতে নালিশি অভিযোগ দিতে বাধ্য হইলাম। মামলার বাদিনী আরো জানান ১নং আসামী জোর পূর্বক দৈহিক মিলনে বর্তমানে আমি অন্ত সত্বা ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা হীনতা ও আগত সন্তানের পিত্রি পরিচয় এবং এক অন্ধকার ভিবিষিকাময় জীবনের ভার নিয়া দিনাতি পাত করিতেছি। উক্ত বিষয় ১৩ মার্চ ২০১৬ইং চর জব্বর থানায় একখানা এজহার নিয়া গেলে থানা কর্তৃ পক্ষ আমার এজহার গ্রহন না করায়, বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনালে অত্র মামলা দায়ের করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল নোয়াখালী মামলার দীর্ঘখন শুনানী শেষে আমলে নিয়ে সদর নোয়াখালী সুধারম থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন,২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,নোয়াখালীর মাধ্যমে ভিকটিমকে ধর্ষন ও গর্ভ সংক্রান্ত বিষয়ে মেডিকেল টেস্ট করাইয়া,অপহরন ধর্ষন ও উক্ত কাজে সহযোগীতাসহ (স্বাক্ষীগনের গৃহীত জবান বন্দি,অনুসন্ধান সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্রাদিসহ আদালতে আদেশ প্রেরন করেন।






মন্তব্য চালু নেই