মেইন ম্যেনু

বিয়ে না করলে জেল!

ঘুষি মেরে বিপদ ডেকে এনেছেন এক যুবক। এ জন্য তাকে হয় বিয়ে করতে হবে, নয়তো যেতে হবে জেলে। সে জন্য তাকে সময়ও বেঁধে দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে।

বান্ধবীর প্রেমিককে ঘুষি মেরে জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে তাকে। তবে কি করবেন বান্ডি বুঝে উঠতে পারছেন না। অবশ্য ৩০ দিনের মধ্যে তাকে একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হবে- বান্ধবীকে বিয়ে করবেন নাকি ১৫ দিনের জন্য জেলের মজা বুঝে আসবেন।

১৯ বছরের এলিজাবেথ জাইনসের সাবেক ছেলে বন্ধুকে ঘুষি মেরেছিলেন বান্ডি। সেই ঘটনা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালত বান্ডিকে দুটি পথ বাতলে নেয়ার আদেশ দেন।

৩০ দিনের মধ্যে বিয়ে করতে হবে এলিজাবেথকে, লিখতে হবে বাইবেলের আয়াত, অংশ নিতে হবে কাউন্সিলিংয়ে। যদি এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বান্ডি তবে ১৫ দিনের কারাভোগ করতে হবে।

রায় শুনে রীতিমতো চমকে যান বান্ডি। বিয়ে করতে অনাগ্রহী বান্ডি তার অফিসের বসকে ফোন দিতে চেয়েছিলেন যে, কারাগারে গেলে তার চাকরিটা বহাল থাকবে কিনা। কিন্তু আদালত তাকে সে সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শেষ পর্যন্ত বিয়ের পিঁড়িতেই বসতে রাজি হন বান্ডি।

বান্ডির বান্ধবী এলিজাবেথ জানান, রায় শুনে তার গাল রীতিমতো লাল হয়ে উঠেছিল। কারণ পেছনের সারিতে বসা দর্শকরা রায় শুনে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছিল। বছরখানেক আগে সম্পর্কে জড়ানো বান্ডি আর এলিজাবেথ শেষ পর্যন্ত বিয়েটা সেরেই ফেললেন।

তবে কোনো আনুষ্ঠাকিতায় বিয়ের আয়োজন হয়নি। বিয়েতে কনে সাদা পোশাক কিংবা বর স্যুট কোনোটাই পরার সুযোগ পাননি। স্থানীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলকে নববধূ এলিজাবেথ বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম তা হলো না। এমনকি সাদা পোশাকটাও পরতে পারিনি।

তবে আদালতের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবীরা। কারণ কাউকে শাস্তির ভয় দেখিয়ে বিয়েতে বাধ্য করার এখতিয়ার আদালতের নেই। অ্যাটর্নি ব্লেক বেইলি বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে চাইলে উচ্চ আদালতে যাওয়া যাবে। বিয়ে না করলে শাস্তি দেয়া হবে- এটা কোনো এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। সূত্র : ডেইলি মেইল






মন্তব্য চালু নেই