মেইন ম্যেনু

বুদ্ধিমান মানুষরা যে ৭ উপায়ে সফলতার সুযোগ নষ্ট করে

নিজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বড়ই সচেতন থাকেন পেশাজীবীরা। কিন্তু মহা পরিকল্পনা নিয়েই অনেকে সফল হতে পারেন না। সবাই সফলতার দেখা পেত উদগ্রীব। স্মার্টভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর তারা। কিন্তু এরা বোঝেন না যে, কিছু বিষয়ে অন্ধ মনোভাব তাদের আচরণ ও চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা এখানে ৭টি বিষয়ের কথা তুলে ধরেছেন। এগুলো স্মার্ট মানুষদের সফলতার বারোটা বাজায়।

১. শর্টকাট পথ গ্রহণ : সময় ব্যয়ে কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফলতার তুলনা নেই। তাই রাতারাতি ধনী হয়ে ওঠার গল্পও তেমনটা শোনা যায় না। শর্টকাট পথে সময় ও শক্তি বাঁচলেও তা গন্তব্যের মাঝে দেয়াল গড়ে দেবে।

২. অহংবোধ ও আবেগের বিস্ফোরণ : মানুষ আবেগ-অনুভূতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অনেক সময় কাজ উদ্ধারে ক্ষোভ, বিষণ্নতা অথবা তীব্র বিরক্তি বেশ সহায়ক হয়ে ওঠে। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত অহংবোধ ও আবেগ দ্বারা পরিচালিত হলে তা কেবল শক্তিক্ষয় ঘটাবে। সুষ্ঠু চিন্তার পথকে বাধাগ্রস্ত করে। আবেগ অকারণ মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করবে আর অহংবোধ আনবে ধ্বংস।

৩. একাই নিজে চেষ্টা করা : যেকোনো সমস্যা থেকে নিজের প্রচেষ্টায় বেরিয়ে আসার সামর্থ্য এক অনন্য গুণ। তাই বলে এগিয়ে যেতে সব কাজ একাই করতে পারবেন বলে ধরে নেয়া স্রেফ ভুল ধারণা। সফল হতে পরিচিত গণ্ডির সাহায্য লাগে। তাই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের কাজের মানুষগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন।

৪. ফলাফল না দেখেই কাজ সম্পন্ন করা : হয়তো দায়িত্ব বর্তেছে। কিন্তু এ কাজের ফলাফল কি হতে পারে তা ভেবে দেখা সুবিবেচকের লক্ষণ। হয়তো কাজটি করার কোনো অর্থই হয় না। তবুও ঘাম ঝরিয়ে ঝটপট করে ফেললেন। বড় ধরনের সফলতা অর্জন করতে হয়। কেবল দায়িত্ব সম্পন্ন এর শর্ত নয়। তাই সর্বাধিক সুবিধা পাওয়ার পথ পরিষ্কার করে সব কাজ সম্পন্ন করা উচিত।

৫. পিছিয়ে যাওয়া : ভীরুভাব সফলদের মাঝে দেখা যায় না। তাদের মাঝে সুযোগ এমন একটা বিষয় যা সময়মতো গ্রহণ করে নিতে হয়। কিন্তু অজানা বা না বোঝা কাজে এগিয়ে যেতে তাদের মধ্যে কোনো ভীরুতা কাজ করে না। আবার ঝুঁকির গন্ধ পেয়েই স্মার্ট মানুষগুলো পিছিয়ে পড়েন। এটা সুযোগ নষ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়।

৬. প্রাথমিক পরিকল্পনা না করা : পরিকল্পনা সবাই করেন। কিন্তু কোনো কাজের আগে তার সম্পর্কে যাবতীয় খবর নিয়ে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজের বিকল্প নেই। হোমওয়ার্ক করার অর্থ হলো আপনি দারুণভাবে পর্যবেক্ষণশীল, বিশ্লেষক এবং জ্ঞানপিপাসু। আর এদের ব্যর্থতা কোনকালেই দেখা যায়নি।

৭. অন্যের সিদ্ধান্তে নিজের ভবিষ্যত নির্ধারণ : প্রায়ই স্মার্ট মানুষরা এ ভুল করে থাকেন। তারা নিজেদের কাজে যথেষ্ট স্মার্ট। কিন্তু ভবিষ্যত নির্ধারণে যখন তারা অন্য কারো সিদ্ধান্তের জন্যে বসে থাকেন, তখন বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। আপনি অভিজ্ঞজনের কাছ থেকে পরামর্শ ও উপদেশ চাইতে পারেন। কিন্তু তাদের মতামতের ভিত্তিতে নিজের চিন্তাভাবনাকে পাত্তা না দেওয়া আপনার স্মার্ট সিদ্ধান্ত নয়।






মন্তব্য চালু নেই