মেইন ম্যেনু

বৃন্দাবনের মন্দিরে হঠাৎ ‘টাকা-বৃষ্টি’

একেবারে সত্যি ঘটনা। ভারতের ভারতের বৃন্দাবনের এক মন্দিরে ঘটে গেল রীতিমতো টাকা-বৃষ্টি! নকল নয়, আসল কড়কড়ে টাকা। আচমকা আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ঝরঝর করে পড়তে লাগল মুঠি মুঠি টাকা। তাও আবার ৫০ কিংবা ১০০ টাকার নোট নয়, ৫০০ টাকার নোট। আর এই টাকা-বৃষ্টি দেখে মন্দিরে পূজা দিতে আসা ভক্তরা পূজার ডালা ফেলে রেখে মহানন্দে কুড়াতে লাগলেন সেই নোট।

শনিবার দুপুরে ভারতের আগ্রার বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারি মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে এই মন্দিরে পূজা দিতে যান মুম্বাইয়ের বাসিন্দা হেমবতী শঙ্কর। বছর পঞ্চাশের এই নারী মন্দিরে পূজা দেওয়ার সময় সঙ্গে করে একটি ব্যাগ নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে ঢুকেছিলেন। তাতে রাখা ছিল লাখ টাকা। সবটাই ছিল সদ্য ব্যাংক থেকে তোলা কড়কড়ে ৫০০ টাকার নোট। মন্দিরে ঢোকার আগে ফুল, বেলপাতা আর মালার ডালি এক হাতে আর অন্য হাতে ব্যাগটিকে বগলদাবা করে সবে মন্দির প্রাঙ্গণে পা রেখেছেন। ব্যস, অমনি কোত্থেকে এক বাঁদর ছুটে এসে এক টানে মহিলার বগলের নিচ থেকে ব্যাগ কেড়ে নিয়ে দৌড়। আড় এক দৌড়ে মন্দিরসংলগ্ন একটি লম্বা গাছের মগডালে উঠে পড়ল সে। সেখানে উঠেই খাবারের খোঁজে ওলটপালট করে ব্যাগটি। শেষ পর্যন্ত খাবার না পেয়ে তেলেবেগুনে চটে লাল বাঁদর। তারপর গাছের মগডালে বসে ব্যাগ থেকে মুঠি ভরে ভরে টাকা ছুড়ে দিতে থাকে মন্দিরের চাতালের ওপর।

আচমকা শূন্য থেকে এভাবে টাকা পড়তে দেখে সবাই হতবাক। ভেবেই বসলেন টাকা-বৃষ্টি হচ্ছে। যে যেদিক থেকে পারলেন, পূজার ডালা ফেলে রেখে নেমে পড়লেন সেই টাকা কুড়াতে। অন্যদিকে কেঁদে আকুল হেমবতী শঙ্কর। তিনি জানান, তাঁর স্বামী ও দুই মেয়েকে নিয়ে আগ্রা, মথুরা, বৃন্দাবন বেড়াতে এসেছিলেন। রোববারই তাঁদের মুম্বাই ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে শনিবার স্থানীয় বাঁকে বিহারি মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু মন্দিরে ঢোকার পথেই ঘটে যায় এই ঘটনা।

শেষমেশ গাছের মগডালে বসে বাঁদরটি ব্যাগের মধ্যে খাবার না পেয়ে টাকার বান্ডিল লণ্ডভণ্ড করে ব্যাগটি মন্দিরের চাতালে ছুড়ে ফেলতেই হুঁশ ফেরে ভক্তদের। মন্দির কর্তৃপক্ষ পরে ভক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার করে ওই নারীকে টাকা ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।






মন্তব্য চালু নেই