মেইন ম্যেনু

বৃন্দাবনে টাকার বৃষ্টি!

মন্দিরের পাশের কোনে দালান থেকে টুপ করে যদি প্রসাদ পরে তাহলে সেটা দেবতার আশীর্বাদ ভেবে নেবে সবাই কিন্তু যদি টাকা পরে? তাহলে সত্যি অবাক করা ব্যাপার হবে। দেবতার আশীর্বাদে আর যাই হোক আস্ত নোট আর উড়ে এসে পড়বে না। এ রকমই ঘটেছে কৃষ্ণের বৃন্দাবনে। তাহলে খুলেই বলি।

বাঁকে বিহারী মন্দির সংলগ্ন এক দোকান ঘরের পাশে পাঁচশো টাকার নোট উড়ে এসে রাস্তায় পরছে। টাকা বলে কথা সবাই হুড়োহুড়ি লেগে গেল সেটা সংগ্রহ করতে। আসলে টাকাগুলো আকাশ থেকে পড়েনি। দোকান ঘরের দালানের উপর থেকে হনুমান মশায় মনের আনন্দে উড়াচ্ছিলেন।

তাহলে হনুমানই বা টাকা পেলেন কোথায়? তাহলে আরো বিস্তারিত শুনুন। মুম্বাই থেকে এক নারী এসেছেন বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারী মন্দিরে। তো সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। একটু বেখেয়াল হতেই বানর মশাই মানিব্যাগটা ছিনিয়ে নেয় তার কাছ থেকে। পরে ওই নারীর কাছে জানা গেল মানিব্যাগে মোট দেড়লাখ টাকা ছিল।

হেমবতী সোনকার মুম্বাইয়ের বোরিভালি থেকে সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন। হনুমান মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার পর তারা অনেক চেষ্টা করেন সেটা ফেরত পেতে। ভেবেছিলেন খাবার দিলে টাকার ব্যাগটা ফেরত দিবে বানরটি। তাই খাবারের দোকানের খোঁজের কিছু দূরে যেতে হয়। কারণ তখন অনেক দোকান বন্ধ ছিল। আর এর ফাঁকেই তার মেয়ের একটা দামি মোবাইল ফোনও খোয়া যায়।

টাকা বলে কথা। যখন টাকাগুলো দোকানের ছাদে বসে হনুমানটি নোটের বান্ডিলগুলি খুলে ছড়াতে শুরু করে। তখনই আশেপাশের লোকজন হইহই করে টাকাগুলো কুড়াতে ছুটে আসে।

বৃন্দাবনের পুলিশ ইনস্পেক্টর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই