মেইন ম্যেনু

বৃষ্টিসিক্ত উচ্ছ্বাসে আন্দোলিত সৌম্য-মোস্তাফিজের গ্রামও

ভারতের সঙ্গে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি দেখতে ক্রিকেটার সৌম্য সরকার ও মোস্তাফিজুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে চলছে নানা আয়োজন। মোস্তাফিজের গ্রাম তেঁতুলিয়া ও সৌম্যের গ্রামের বাড়ি মহিষাডাঙ্গায় এখন উৎ​সবের আমেজ।

সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। খেলার সময় বৃষ্টি হলে কীভাবে সবাই মিলে খেলা দেখবেন? খেলার পর কীভাবে পালন করবেন উৎসব?— এসব নিয়ে চলছে নানা আয়োজন।

মোস্তাফিজুরের গ্রামে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। সবাই আজকের খেলা নিয়ে আন্দোলিত। মোস্তাফিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মেহেদি হাসান জানালেন, ‘উৎসব হবে আজ। উৎসব হবে। বৃষ্টি হলেও উৎসব হবে। থামব না আমরা। ঠিক করা হয়েছে, তেঁতুলিয়া মাঠে বড় পর্দায় খেলা দেখব সবাই। মাইকিং করা হয়েছে সবাইকে এখানে আসার জন্য। বেশি বৃষ্টি হলে তেঁতুলিয়া বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রং কেনা হয়েছে। ফুল কেনা হয়েছে। আতশবাজি কেনা হয়েছে। নাচব, গাইব। বৃষ্টি মানব না।’

মোস্তাফিজের বড়ভাই মাহফুজার রহমান জানালেন, ছোট ভাইয়ের অনুরোধে এবং তাঁকে উৎসাহ জোগাতে বাবা-মাকে নিয়ে তিনি আজ দুপুরে ঢাকায় গেছেন। সেজ ভাই মোখলেছুর রহমান বললেন, তিনি ঢাকায় যেতে পারেননি। তবে এ নিয়ে তাঁর দুঃখ নেই। মোস্তাফিজ ভালো খেলবে, এই বিশ্বাস তাঁর আছে।

সৌম্যের গ্রামেও চলছে সকাল থেকে খেলা দেখার প্রস্তুতি। এ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই, তাই জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মহিষাডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামের সবাই মিলে বলাকা ক্লাবের সামনে টেলিভিশনে খেলা দেখবেন।

মহিষাডাঙ্গা বলাকা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিমাই বিশ্বাস বললেন, ‘সৌম্য তো ছবির মতো খেলে। ওর খেলার ভঙ্গি আর দশজনের চেয়ে আলাদা। সৌম্য ভালো খেললে গ্রামের মানুষ খুশিতে থাকে। বাড়ি বাড়ি উৎসব হয়। ভালো-মন্দ রান্না করে। পূজা দেয়। বাংলাদেশ জয়ী হলে সপ্তাহ ধরে চলে অনুষ্ঠান।’

সৌম্যের ভাই পুষ্পেন সরকার বললেন, তিনি ছোট ভাইয়ের (সৌম্য) খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। ঢাকাতেই আছেন। আগের দুটি ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেছেন। তবে বাবা ঢাকায় এলে ভালো হতো। আর মা সাতক্ষীরার বাড়িতে বসে খেলা দেখবেন।






মন্তব্য চালু নেই