মেইন ম্যেনু

বৃষ্টি হবে আরও দুই দিন

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শেষে রাতের ঘুমটা ভালোই হয়েছে নগরবাসীর। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে গোমট গরমের ভাপটা উবে গেছে আর আরামদায়ক শীতলতার পরিবেশে যাদের কাজ নেই, তারা বিছানায় একটু বেশি সময় কাটিয়েছে আয়েশের সঙ্গে। এই অবস্থা চলবে আরও দুই থেকে তিন দিন। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। আরও দুই থেকে তিনদিন বৃষ্টি হবে।

সাপ্তাহিক ছুটির দ্বিতীয় দিন অবশ্য আজ সরকারি কর্মদিবস। ঈদের আগে একদিন ছুটি ঘোষণা করায় আজ অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছে সরকার। তবে শনিবার সচরাচর অফিসে না যাওয়া নগরবাসীর তেমন চাপ নেই সড়কে। দেখা যায়নি কর্মদিবসের দীর্ঘ যানজট।

সবই কী আবহাওয়ার কারণে কি না, জানার সুযোগ নেই। তবে অতসব জানার দরকার কী? নগরবাসী বর্ষার এই বৃষ্টি উপভোগ করছে প্রাণভরে।

মগবাজারের বাসিন্দা আবু সাদাত বলেন, ‘সকালে বেশ ঠান্ডা লাগছিল। ঘুমটা ভালোই হয়েছে। একটু দেরি করে ঘর থেকে বের হলাম’।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ অবস্থা চলবে আরও দুই থেকে তিন দিন। শনিবার সকালে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর অতিক্রম করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। রাজধানীর পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি বা ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আজ সকাল ৯ টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, ‘আরও দুই থেকে তিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মাছেমধ্যে আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকতে পারে।’

সমুদ্র বন্দরে তিন সতর্ক সংকেত

উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা তৈরি হওয়ায় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তীবরর্তী এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরের ওপর নিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে অধিদপ্তর। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচেল করতে বলা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই