মেইন ম্যেনু

বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির জনকের হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন ফজিলাতুন নেছা।

জন্মদিন উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে শহীদ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে আয়োজন রয়েছে। বেলা ১১টায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।

বাদ আসর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

যুবলীগ এ উপলক্ষে এদিন পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। যুব মহিলা লীগ বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে পথশিশুদের মধ্যে বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ করবে।

বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, ইতিহাসে ফজিলাতুন নেছা মুজিব কেবল একজন প্রাক্তন রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন প্রাণপ্রিয় স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে। এই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অবদান রেখেছেন। জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এ জন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাঁকে।

এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে ফজিলাতুন নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব আমাদের অহংকার। তিনি ছিলেন সহজ-সরল ও নিরহংকারী।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমার প্রত্যাশা, এই মহান নারীর জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে তারা ধারণা পাবে।’

শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই