মেইন ম্যেনু

বেগুনের অভাবনীয় কিছু কার্যকরী গুণ

অতি পরিচিত সবজি বেগুন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। ভাজি, ভর্তা বা ঝোলে বেগুনের উপস্থিতি ঘটে স্বাদের ভিন্নতায়। অনেকের খুব প্রিয় বেগুন তরকারি। পুষ্টিগুণে ভরা এই সবজির রয়েছে রোগ প্রতিরোধী দারণ কার্যকরিতা। প্রতি ১০০ গ্রাম বেগুনে পাবেন খাদ্যশক্তি ২৫ কিলো ক্যালরি, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ২২৯ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৬ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম। এসব উপাদান আপনার শারীরিক সুস্থতা দানে দারুণ ভূমিকা পালন করে। আসুন জেনে নেয়া যাক বেগুনের অজানা গুণ সম্পর্কে।

– বেগুনে উপস্থিত উচ্চ মাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। বেগুন পাকস্থলী, কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদ্রান্ত্রের ক্যানসারকে প্রতিরোধ করে।

– বেগুনে কোনো কোলেস্টেরল নেই। যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমান বেশি, তাদের জন্য বেগুন আদর্শ খাদ্য। অপরদিকে বেগুন দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে সহায়তা করে।

– বেগুনে থাকা প্রচুর পরিমাণ আয়রন শরীরে রক্ত বাড়াতে সহায়তা করে। তাই রক্ত শূন্যতা দূর করতে রোগীরা খেতে পারেন এই সবজি। – বেগুনে আছে রিবোফ্লাভিন। মুখ ও ঠোঁটের কোণের ঘা, জিহ্বার ঘা প্রতিরোধ করতে রিবোফ্লাভিন খুবই উপকারী। জ্বর হওয়ার পর মুখের বিস্বাদও দূর করে বেগুন।

– বেগুন ক্ষত স্থান দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। বেগুনে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন ‘ই’ এবং ‘কে’। এরা শরীরের ভেতর রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। ফলে রক্ত চলাচল কার্যক্রমকে সচল রাখে।

– বেগুন ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবজি। বেগুনের ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য খুব উপকারী। এটি চোখের যাবতীয় রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

– বেগুনে আছে প্রচুর পরিমান ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ। যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

– বেগুনে আছে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই দুই উপাদান দাঁত, হাড় ও নখের জন্য খুব উপকারী। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দাঁতকে করে মজবুত, মাড়িকে করে শক্তিশালী। নখের ভঙ্গুরতা রোধ করে।

– ডায়রিয়া হলে শরীরে প্রচুর জিঙ্কের ঘাটতি দেখা দেয়। বেগুন জিঙ্কের ঘাটতি দূর করে। তবে ডায়রিয়া চলাকালিন সময়ে বেগুন খাওয়া ঠিক না। ডায়রিয়া ভালো হলে বেগুন খাওয়া উচিত।

সর্তকতা: বেগুন তরকারি খেলে অনেকের অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। এমন সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।






মন্তব্য চালু নেই