মেইন ম্যেনু

বেডরুম-বিছানা মানেই যৌনতা নয়!

বিয়ের পর জীবনে কিছুদিন চলে তুমুল আলোড়ন। একে অপরের মাঝে খুঁজে বেড়ায় নতুনত্ব। পরবর্তী সময়ে, বেশ কিছুদিন কেটে গেলে প্রেম, বিয়ে, যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে এক অদ্ভুত ঔদাসীন্য তৈরি হয়! এক ছাদের নিচে হয়তো স্বামী-স্ত্রী থাকেন, একই খাটে ঘুমোন, তবুও সেই উত্তেজনাটা কোথাও গিয়ে যেন হারিয়ে যায়৷ কিন্তু এ কথাও আমাদের অজানা নয়- প্রেম বা বিয়ের মতো সম্পর্কগুলিতে যৌনতা কতটা জরুরি! সে ক্ষেত্রে যৌনতা এবং প্রেমের ব্যাপারেও যদি ঔদাসীন্য আসে তবে সম্পর্কে সমস্যা দেখা দিতে পারে৷

তাই বিয়ের পর প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সম্পর্ককে সতেজ রাখতে সারাদিন না হলেও কিছুটা সময় পার্টনারের সঙ্গে কাটান! আর সেই সময় কাটানোর জন্য, বেডরুমের চেয়ে ভাল ঠিকানা দুটি নেই! রাতের এই কিছুটা সময়ই সম্পর্কের আয়ু বাড়াতে সক্ষম। বেডরুম কিংবা বিছানা প্রসঙ্গ মানেই যৌনতা নয়! এর বাইরেও এমন কিছু রয়েছে যা আপনার সম্পর্ককে মজবুত করতে পারে! কী সেই ‘স্পেশাল’ ব্যাপার, তা জেনে নিন এই প্রতিবেদনে৷

১. শোয়ার সময় ফোন কাছে নিয়ে শোবেন না! ওটিকে পারলে বেডরুমের বাইরে রাখুন৷ পার্টনারের থেকে স্পেস চাওয়ার পাশাপাশি তাঁকেও একটু সময় দিতে শিখুন৷

২. ঘুমের আগে স্বামী বা স্ত্রী’র সঙ্গে একটু কথা বলুন! ভালবাসা বা ভাললাগার কথা৷ কিংবা অফিসের মজার ঘটনাও শেয়ার করতে পারেন৷ এতে সম্পর্কে বন্ধুত্ব অটুট থাকে৷

৩. প্রতিদিন একই সময়ে পার্টনারের সঙ্গে ঘুমোতে যেতে চেষ্টা করুন৷ এতে একটা অভ্যেস তৈরি হয়৷ পাশাপাশি পার্টনারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সময় কাটানোরও ইচ্ছে জাগে৷

৪. প্রতি রাতে সেক্স জরুরি নয়৷ কিন্তু সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্পর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ তাই যৌনতাবিহীন আদরে মাতুন! স্ত্রী’কে চুম্বন করুন কিংবা আলিঙ্গন৷ এতে সম্পর্কের উষ্ণতা বজায় থাকে৷

৫. পারলে শোওয়ার ঘরে টেলিভিশন রাখবেন না৷ এতে স্বামী-স্ত্রী’র একান্ত সময় নষ্ট হয়৷

৬. সন্তানের শোওয়ার ঘর আলাদা রাখুন৷ তাকে এটা বোঝান তার মা-বাবারও ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন রয়েছে৷

৭. প্রতি রাতে ঘুমিয়ে পড়ার আগে একদম পুরনো দিনের মতো পার্টনারকে বলুন ‘ভালবাসি’! ভালবাসা সব সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারে!






মন্তব্য চালু নেই