মেইন ম্যেনু

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবাধে আসছে ভারতীয় পাগল

আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট বেনাপোল সীমান্তে দেশী বিদেশী নারী পুরুষ পাগলের মেলা বসছে। অজানা-অচেনা পাগল নিয়ে আতংকে রয়েছেন সীমান্তের মানুষ। ভিন্ন ভাষাভাসি এসব পাগলের অবাধ বিচরণ বেনাপোল সীমান্ত এলাকায়। তবে ভারত থেকে পাগল আসলেও সীমান্তে নেই কোন বাধা। দিনে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ফিরে রাতে আসে বেনাপোলে।

আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট বেনাপোল এলাকায় রাত ১২টার পরে বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্টানের সামনে জড়ো হয় এসব পাগল। কেউবা ঘুমায় সড়কের উপর ও দোকান ঘরের পাশে। ময়লা পোষাকে অর্ধ উলঙ্গ এসব পাগল নিয়ে অনেক সময় বিপাকে পড়েন পথচারিসহ স্থানীয় মানুষ। কোন পাগল রাতে গান গেয়ে পার করেন সময়। কেউ বা নাক ডেকে ঘুমান। কেউ দিলে খায়, অনেক পাগল না দিলে খায়না। এসব পাগলের হদিস জানে না কেউ।

বেনাপোল বড়আচড়া গ্রামের রিওন কবির জানান, ভারতসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব পাগল পথচারিসহ স্থানীয়দের সমস্যার কারন হয়ে দাড়িয়েছে। অনেক পাগল লাঠি হাতে তেড়ে আসে পথচারিদের মারতে। অনেক পাগল অশ্লিল গালিগালাজ করে। অর্ধউলঙ্গ পাগল দেখে অনেকে করেন হাসি ঠাট্টা। খারাপ লাগে অনেকের।

বেনাপোলের হাফিজুর রহমান বলেন, আমরাতো সবাই পাগল। অর্থের পাগল। গাড়ি বাড়ি ও ক্ষমতার পাগল। আর পথেই যাদের ঘর, পথেই যাদের খাওয়া, কোন চাওয়া পাওয়া নেই এদের, সৃষ্টিকর্তাই তাদের করেন লালন পালন। পথহারা পথভোলা এসব পাগলদের পরিচয় নিশ্চিতসহ তাদের সু রক্ষার পক্ষে মত দেন তিনি।

এক রাতে বেনাপোলের পাগলদের কাছে ছুটে আসেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার আব্দুস সালাম। পেষাক ও টাকা দিতে চান পাগলদের। অনেক পাগল পোষাক নিতে না চাইলেও টাকা নিতে চায়। কোন পাগল কিছুই চাইনা। এসময় উপজেলা নির্বাহি অফিসার নিম্নস্বরে বলেন, এ হলো ভবের পাগল, কোন কিছুই চাওয়ার নেই তাদের, তারা চান সৃষ্টিকর্তার মহিমা।

পোর্ট থানার ওসি অপুর্ব হাসান বলেন, এরা তো কোন বাবা মায়ের পথভোলা পথহারা সন্তান- কেহ বা ভবের পাগল- এদেরকে সবাই মিলে সুরক্ষা করা দরকার।






মন্তব্য চালু নেই