মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে ‘বিতর্কিত’ প্রক্টরকে আহবায়ক করে তদন্ত কমিটি

বেরোবি প্রতিনিধি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রক্টর অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অন্য একটি ঘটনার তদন্তে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকা (চলতি দায়িত্ব)কে আহবায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রক্টরের বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ চলাকালীন অন্য একটি ঘটনার তদন্তে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকাকে আহবায়ক করায় বিষয়টি ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছে।

এমনকি বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্ত্রী (প্রশাসনিক ভবনের এক কর্মকর্তা)কে লাঞ্ছিতের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রক্টরের ( মীর তামান্না ছিদ্দিকা) ব্যাপারে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

জানা যায়, শারীরিক লাঞ্চিতের ঘটনায় ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আরেক শিক্ষার্থীর করা অভিযোগ তদন্তে ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকাকে আহবায়ক ও অন্য দুই সহকারী প্রক্টর ড. শফিক আশরাফ ও রুহুল আমিনকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তদন্ত কমিটিতে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকার থাকার বিষয়ে আপত্তি তুলেছে বিভিন্ন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘যেখানে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকার ব্যাপারে একটি তদন্ত কার্যক্রম চলছে সেই সময় অন্য তদন্ত কমিটিতে তাকে রাখা বিধি বহির্ভুত।’
প্রক্টরের ব্যাপারে তদন্ত চলাকালীন তাকে অন্য তদন্ত কমিটিতে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইবরাহীম কবীর বলেন, ‘আমি কোন তদন্ত কমিটি গঠন করি না। তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত উপাচার্য নেন। আমি শুধু অফিসিয়াল ফরমালিটি মেইনটেইন করি।’

এ দিকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপুর বাবা অনিল রায়ের মৃত্যুতে প্রক্টর মীর তামান্না ছিদ্দিকাকে দায়ি করে তার অপসারণের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষার্থীরা।আজো (রবিবার) প্রক্টর অপসারণের ব্যাপারে বিক্ষোভ করেছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।






মন্তব্য চালু নেই