মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে সংবাদ সম্মেলন: উপাচার্যের দুর্নীতি-অনিয়মের খতিয়ান পেশ

এইচ.এম নুর আলম, বেরোবি প্রতিনিধি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও সেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষকদের সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। সোমবার বেলা ১২ টায় কবি হেয়াত মামুদ ভবনের নিচ তলার গ্যালারি রুমে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে গত চার বছরে উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ টি অনিয়ম উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রফিউল আজম খান।

রাফিউল আজম খান তার বক্তব্যে বলেন, উপাচার্য আইন লংঘন করে একাই ১৭ পদ নিয়েছেন এবং ৯িিট বিভাগের প্লানিং কমিটির সদস্য হয়েছেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর আইন-২০০৯ এর ধারা ৩৯(২) অনুযায়ী বর্ণিত তফসিলের (প্রথম সংবিধি) এর ১১(৮) অনুযায়ী যা বিধিসম্মত হয়নি। শুধুমাত্র শিক্ষক নিয়োগে একচ্ছত্র প্রভাব বজায় রাখতে তিনি বিশ^বিদ্যালয় আইন লঙ্ঘন করে এই নয় বিভাগের প্লানিং কমিটির সদস্য হয়েছেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী যোগদানের মাত্র চার মাসের মাথায় গত ১৭/৮/২০১৩ তারিখে ট্রেজারারের পদ শুন্য হলেও তিনি সে পদ পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ না করে ‘যোগ্য লোক খোঁজা হচ্ছে’ বলে নিজেই সে পদ আঁকড়ে আছেন। এছাড়াও তিনি পরিচালকের ছয়টি পদ, ৩টি অনুষদের ডিন, ৩টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, হিসাব পরিচালকের শূন্য পদে কাউকে দায়িত্ব না দিয়ে নিজের কবজায় রেখেছেন। এছাড়াও প্রক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একজন জুনিয়র সহকারী অধ্যাপককে। সবগুলো দায়িত্বই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘনের মাধ্যমে নিজে ধরে রেখেছেন।

উপাচার্য তড়িঘড়ি করে শিক্ষক নিয়োগের প্রচ্ষ্ঠো চালাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন বিভাগে চরম শিক্ষক সংকট থাকলেও ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিলে ইউজিসি অনুমোদিত ২১টি পদে এক বছরেও শিক্ষক নিয়োগের কোনো উদ্যোগ নেননি উপাচার্য। মেয়াদ শেষের মাত্র দুই মাস আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তড়িঘড়ি করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, প্রার্থীদের শুধুমাত্র এসএমএসের মাধ্যমে ডেকে সাক্ষাতকার নিয়েছেন। এছাড়া বিষয় বিশেষজ্ঞ সদস্যগণ রংপুরে আসার সময় পাচ্ছেন এমন অজুহাতে শিক্ষক নিয়োগের বাছাই বোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে করেছেন। তড়িঘড়ি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং ঢাকায় বোর্ড করার পেছনে নিয়োগ বাণিজ্যে রয়েছে।

বিধি বহির্ভুত অর্থ উত্তোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,উপাচার্য বিভিন্ন সময় বিধি বহির্ভূতভাবে বিশ^বিদ্যালয় তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করেছেন। বিয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য উক্ত অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৬০৪ টাকা বিশ^বিদ্যালয় তহবিলে ফেরত দিয়েছেন।

অবকাঠামোগত উন্নয়নে উপাচার্যের অনিয়ম তুলে ধরে রফিউল আজম খান বলেন,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজের মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর পর জুন, ২০১৪ এ শেষ হয়। এখন পর্যন্ত তিনি দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন কাজের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেননি বরং প্রথম পর্যায়ে স্থাপিত স্থাপনা এখনো চালু না করে ফেলে রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাবেক উপাচার্যের ১০/৫/২০১২ তারিখে প্রেরিত চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২২/৭/২০১২ তারিখের নির্দেশনার আলোকে ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর স্বতন্ত্র ভবন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ১টি ছাত্রী হল নির্মাণের জন্য ৯৭ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একনেকে পাস হলেও তিনি (উপাচার্য) প্রকল্প বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ করেছেন এবং এগুলোর টেন্ডারের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার সাড়ে তিন বছরেও ক্যাফেটেরিয়া ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য ২টি ডরমেটরি চালু করা হয়নি।

উপাচার্যের ধারাবাহিক অনুপস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন,উপাচার্য যোগদানের পর থেকে ২০১৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত ৩ বছর ৪ মাসে ৫১৪ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে চরম অচলাবস্থা তৈরী করেছেন। তিনি দাপ্তরিক কাজের অজুহাতে ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে টিএ/ডিএ নেন কিন্তু ঢাকায় গিয়ে এনজিওসহ অন্যান্য কাজ করে থাকেন।

আপ্যায়নের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে ছয় লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত চৌষট্টি টাকা আপ্যায়ন খাতে ব্যয় করেছেন। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে সাত লক্ষ পঁয়ষট্টি হাজার চারশত এগার টাকা আপ্যায়ন খাতে ব্যয় করেছেন। গত ২৮/১০/২০১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৫১তম সিন্ডিকেটে উপস্থিত ছিলেন ১১ জন সদস্য, কিন্তু দুপুরে খাবারের বিল করা হয়েছে ৮০ জনের ৪৩৫/-টাকা হিসেবে ৩৪,৮০০/- টাকা। উপাচার্য নামে মাত্র আপ্যায়ন করে মোটা অঙ্কের সরকারী অর্থ আত্মসাত করেছেন।

উপাচার্যের গাড়ি বিলাসিতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র চারটি গাড়ি, শতাধিক শিক্ষকের জন্য একটি কোস্টার ও একটি মাইক্রোবাস আছে। অথচ দুইটি জিপ থাকার পরেও উপাচার্য আবারো ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিলাসবহুল জিপ কিনেছেন। শুধু তাই নয়, তিনটি গাড়ির একটি সার্বক্ষণিকভাবে ঢাকায়, একটি তাঁর পরিবারের জন্য এবং অপরটি তিনি রংপুরে থাকাকালীন ব্যবহার করেন।

রেজিস্ট্রার নিয়োগে অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলে এই শিক্ষক নেতা বলেন, উপাচার্য ২০১৪ সালের জুন মাসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার এটিএম এমদাদুল আলম নামের একজনকে নিয়ম-বহির্র্ভূতভাবে রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ দিলে সিন্ডিকেট (২৮/৬/২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪০তম) তা অনুমোদন না করে উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রেজিস্ট্রার (স্থায়ী) পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। উপাচার্য নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত করতে না পেরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জুনিয়র একজন সহকারী-রেজিস্ট্রারকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দিয়ে প্রকারান্তরে সে পদটিও ৩১/১২/২০১৫ পর্যন্ত নিজের কব্জায় রাখেন।

পদায়নে জ্যেষ্ঠতা লংঘন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাবেক উপাচার্যের আমলে অননুমোদিত পদে নিয়োগকৃত ৩৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনের জন্য সরকার ১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছিল। ইউজিসি এসব পদে নতুন করে অনুমোদন দিয়ে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করার কথা বললেও উপাচার্য ড. এ কে এম নূর-উন-নবী জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে পদায়ন ও বেতন-ভাতা প্রদান করেছেন, ফলে উৎকোচের বিনিময়ে পদায়ন পাওয়ার বিস্তর অভিযোগ আছে।

‘ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ অকার্যকর করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিন্ডিকেটের সভায় অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে ০১/০৩/২০১২ তারিখে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিভিন্ন বিভাগে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ১৫ জন এমফিল ও ৮ জন পিএইচডি গবেষক ভর্তি হন। এমফিল ও পিএইডি কোর্স পরিচালনার জন্য ২৭/০৮/২০১২ তারিখে একাডেমিক কমিটি গঠন করা হয়। এতে ২৩ জন গবেষক ভর্তি হন। উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর থেকে প্রফেসর ড. এ কে এম নূর-উন-নবী ইনস্টিটিউটের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। কার্যত তিনি এই ইনস্টিটিউটের পরিচালকের পদ গ্রহণের পর এর সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয় নিয়ে পত্রিকায় অনেক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় শেষ সময়ে এসে লোক দেখানোর জন্য তিনি আবার নতুন করে একাডেমিক কমিটি গঠন করেছেন। যা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

মামলার অজুহাতে শিক্ষকদের হয়রানীর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, উপাচার্য ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে (নভেম্বর ২০১৪-মার্চ ২০১৫) আন্দোলনরত শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কমকর্তা-কর্মচারীদের ‘অনশন-মঞ্চে’ বিগত ৩/৩/২০১৫ তারিখ বিকাল ৫:৩০ টায় উপাচার্যের মদদপুষ্ট বহিরাগত দুস্কৃতিকারীরা শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করে, ‘শিক্ষক লাঞ্ছনার’ প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখস্থ রাস্তায় নামলে পুলিশী প্রতিরোধের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ এসআই শফিকুল ইসলাম ০৩/০৩/২০১৫ তারিখে অজ্ঞাতনামা ১৫০/২০০ জনের নামে রংপুর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা (মামলা নং-০৮, জিআর-১৬১/১৫) দায়ের করেন। উল্লেখ্য, মামলার এজহার ও প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে কারো নাম নেই।অথচ ১৭/৪/২০১৫ তারিখের ৪৩তম সিন্ডিকেটে ঐ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কথিত এক চিঠির সূত্রে গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহবায়ক এবং শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. আর এম হাফিজুর রহমানকে উল্লিখিত মামলায় অভিযুক্ত করে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছিল।

একই উপায়ে ১৮/০৯/২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৪৫তম সভায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ সাইদুর রহমানের প্রাপ্ত পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছিল। মামলার এজাহার ও প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখিতদের নাম নেই। তদন্তকারী কর্মকর্তার আদলতে দাখিলকৃত চূড়ান্ত রিপোর্টে (নং-১৪৬, তাং-২৯/১০/২০১৫) তাঁদের নাম বা সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ নেই এবং আমলী আদালত কোতয়ালী, রংপুর এর ধার্য তারিখ ২৫/০৪/২০১৬ এ চূড়ান্ত রিপোর্টটি যথাযথভাবে গৃহীত হওয়ায় মামলাটি নথীজাত হয়েছে। ২/৭/২০১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৫০তম সিন্ডিকেটে উল্লেখিত ৩ জন শিক্ষকের পদোন্নতি/আপগ্রেডেশনের স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হলেও আর্থিক সুবিধা যোগদানের দিন থেকে কার্যকর বলে নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে স্থগিতের দিন থেকে সকল সুযোগ সুবিধা কার্যকর করার জন্য শিক্ষকবৃন্দ আবেদন করলেও তা কার্যকর করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ভূক্তভোগীরা রিট আবেদন করলে হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে ওই শিক্ষকদের পদোন্নতি স্থগিত করার দিন থেকে কার্যকর করে সকল সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক(সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় ওএমআর ক্যালেংকারির ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছেন। একজন শিক্ষকের বাড়িতে ওএমআর শিট পাওয়া গেলেও বিষয়টি আড়াল করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় উপাচার্য বাধা প্রদান করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত ২৯/২/২০১৬ তারিখে বিশ^বিদ্যালয়ের একজন নারী কর্মকর্তা উচ্চ শিক্ষার অনুমতি প্রদানের আবেদন করেন। অথচ একজন পুরুষ কর্মকর্তাকে উচ্চ শিক্ষার অনুমতি প্রদান করলেও ঐ নারী কর্মকর্তাকে উচ্চ শিক্ষার অনুমতি প্রদান না করে নারীর মর্যাদা ভুলণ্ঠিত করেছেন।

ইউজিসির তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশে উপাচার্য বাধা সৃষ্টি করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন রাফিউল আযম খান।






মন্তব্য চালু নেই