মেইন ম্যেনু

বেরোবিতে হলে সীট আবেদনের সময়সীমা ১৬ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে(বেরোবি)বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সীট আবেদন ফরম উত্তোলনের তারিখ ১৬ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। গত ১৩ আগস্ট ছাত্র হলটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল বিভাগীয় প্রধান অফিসে এক নোটিসের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

নবনির্মিত হল শহীদ মুখতার ইলাহী হল এ আসন বরাদ্দের জন্য আবেদন ফরম উত্তোলনের জন্য আগামী ১৮/১৯ আগস্ট এ সম্পর্কে বিভাগীয় প্রধান অফিসগুলোতে নোটিস পাঠানো হবে ।আজ সোমবার এক মুঠোফোনে এ কথা জানান হলটির সহকারি প্রভোস্ট এবং একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো: আমির শরীফ।

হলের সীট আবেদনের জন্য ছাত্রদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনার জন্য বলা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১.বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড এর সত্যায়িত ফটোকপি ২. স্নাতকতক ১ম বর্ষের রেজি: কার্ডের ফটোকপি ৩.এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ৪. স্নাতকক এর প্রাপ্ত সবশেষ পরীক্ষার নম্বরপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ৫. জাতীয়তা/নাগরিকত্ব সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ৬. পাসপোর্ট ও স্ট্যাম্প আকারের সদ্য তোলা ১ কপি করে ছবি(ফরমের নির্ধারিত স্থানে লাগাতে হবে)।৭.ব্যাংকে টাকা জমা দানের রশিদ(ফরমের সাথে জমার অংশ)।

উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলটির কাজ শেষ হয়। গত কয়েকবার হলটি খুলে দেওয়ার জন্য ফরম উত্তোলন সহ সাক্ষাৎকার এর তারিখ নির্ধারণ করা হয়।কিন্তু বেশ কিছু কারনে তা সম্ভব হয়নি।সবশেষ গত বছর আবেদন ফরম পূরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাক্ষাৎকারের তারিখ নির্ধারণ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির আন্দোলনের অজুহাতে প্রশাসন তা বন্ধ করে দেয়।এরপর গত আগস্ট মাসের দিকে হলের বেশ কিছু অ্যাকুইপমেন্ট (প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ) খোয়া যায়।

দীর্ঘদিন হল খুলে না দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ,মানববন্ধন-আন্দোলন করেছে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন যেমন প্রগতিশীল ছাত্রজোট,সমন্বিত অধিকার পরিষদ সহ অনেকেই।এক সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগও তৎপর হয়েছিল।

সবশেষ ১০ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল এর প্রভোস্ট এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্তক্রমে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হলটি চালুর ব্যাপারে প্রশাসনের কাছে সময়সীমা বেঁধে একটি পত্র দেওয়া হয়।

পত্রে উল্লেখ করা হয় যে, ১২/৮/১৫ তারিখের মধ্যে হলটিতে সংযুক্ত শিক্ষার্থীদের প্রকাশ করতে হবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন করতে হবে। ২৫/৮ তারিখের মধ্যে ফিটিংস পুনঃস্থাপন করে হলটিকে বাসযোগ্য করতে হবে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর প্রতিকৃতি স্থাপন করতে হবে ।

উল্লেখ্য হল নির্মাণের প্রায় ৩ বছর হলেও সাবেক ও বর্তমান উপাচার্য হল চালূ করতে টালবাহানা করছেন। ৩ দফায় হলের প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্ট পরিবর্তিত হয়েছে, তাঁরা দায়িত্ব ভাতা ও মোবাইল বিল গ্রহণ করেছেন এবং করছেন কিন্তু শিক্ষার্থীদের হলে ওঠা হয়নি।






মন্তব্য চালু নেই