মেইন ম্যেনু

বেশি পড়াশুনায় হার্টের সমস্যা কমে!

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক আমাদের হার্টের ব্যাপারে অনেক গবেষণা করে থাকে। তারা ২০ বছর ধরে পরপর মার্কিন সংবাদ সংস্থা এবং বিশ্ব রিপোর্টে হার্টের যত্নের জন্য নাম্বার ১ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন। তারা আমেরিকার ৪ শীর্ষ হাসপাতালের মধ্যে একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

নিম্নে হার্টের ব্যাপারে মজার ও আশ্চর্যজনক তথ্যগুলো দেয়া হল-

১. আপনি যত বেশি পড়াশোনা করবেন, আপনার হার্টের সমস্যা হবার ঝুঁকি ততই হ্রাস পাবে।

২. একটি স্বাভাবিক হার্টের আকার একটি হাফ ডলার এর সমান।

৩. প্রথম যখন হার্টে পেসমেকার বসানো হয়েছিল তার আকার, আকৃতি ছিল ওয়াল সকেট এর মত।

৪. হাসিখুশি ও শক্তিশালী অনুভূতির কারনে হার্টের সমস্যা অনেকাংশে দূর হয়। যারা বেশীরভাগ সময় হাস্যজ্জ্বল থাকে, তারা হার্টের ঝুঁকি হতে মুক্ত থাকে।

৫. বছরে সবচেয়ে বেশি হার্ট অ্যাটাক হয় বড়দিনে অর্থাৎ, ২৫ ডিসেম্বর। এরপর ২৬ ডিসেম্বর ও ইংরেজি নববর্ষে হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বেশি।

৬. প্রথম হার্টের টিস্যু ৪ সপ্তাহের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব বীট করা শুরু করে।

৭. গবেষণায় সর্বপ্রথম ভেজিটেরিয়ান ডায়েট এর সুফল ও উপকারিতা পাওয়া যায় “বাইবেলস বুক অফ ড্যানিয়েল” বইয়ে।

৮. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হার্টের অধিকারী প্রানিদের মধ্যে নীল তিমি প্রথম। নীল তিমির হার্টের ওজন ১,৫০০ পাউন্ড।

৯. স্টেথোস্কোপ আবিষ্কার হবার পূর্বে ডাক্তারেরা রোগীর হার্ট বরাবর কান রেখে হৃৎপিণ্ডের গতি নির্ণয় করত।

১০. হার্টের রোগ ৩০০০ বছর পূর্বের মমীর মাঝে পাওয়া গেছে।

১১. আপনার দুই হাত একে-অপরকে আলিঙ্গন করার পর হাতের মাঝে যে ফাঁকা অংশ থাকে, আপনার হার্টের পরিমাণ ততটুকু।

১২. একদিনে হার্ট ১,০০,০০০ বার বীট করে।

১৩. প্রতিদিনের ব্যায়াম হার্টকে সবসময় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

১৪. হার্টের সমস্যা শরীরের সবচেয়ে বড় রোগ। মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার ও পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সার এর তুলনায় হার্টের রোগ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

১৫. হার্ট বীটের সাউন্ড আমাদের হাতের ভালভ লিফলেট খোলা ও বন্ধের সময় যে শব্দ হয়, তার সমান।

১৬. প্রতি মিনিটে আপনার হার্ট ১.৫ গ্যালন পরিমাণ রক্ত পাম্প করে।

১৭. আমাদের হার্ট একটি সমন্বয়কারী মেশিন। যার ডানদিক ফুসফুস থেকে রক্ত নেয় এবং বামদিক হতে দিয়ে শরীরে রক্ত সরবরাহ করে।

১৮. গত কয়েক বছরের মধ্যে সেলিব্রেটিদের মধ্যে ডেভিড লেটারম্যান, বিল ক্লিনটন, রবিন উইলিয়ামস, বারবারা ওয়ালটার, আর্নল্ড অয়ারজেনেজার এবং রেগিস ফিলবিন এর ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে।

১৯. আপনি আপনার হার্টকে ডায়েট, ব্যায়াম এবং স্ট্রেস ম্যানেজ করার মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে পারেন।

২০. হার্টের ক্যান্সার হওয়া বিরল। কারন, হার্টের টিস্যু অনেক কম বয়স থেকেই বিভাজিত হওয়া বন্ধ করে দেয়।

হার্ট আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাই সবসময় হার্টকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করুন।






মন্তব্য চালু নেই