মেইন ম্যেনু

বেসিসের পরবর্তী সভাপতি মোস্তফা জব্বার

উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসের (বেসিস) ২০১৬-২০১৯ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন মোস্তফা জব্বার ও সোনিয়া বশির কবির।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বিডিবিএল ভবনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আতিক-ই-রাব্বানী। বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষে ওসিএস (অপটিক্যাল কাউন্টিং সিস্টেম) প্রযুক্তিতে ভোট গণনা করে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

এবারের নির্বাচনে ডিজিটাল ব্রিগেড ও দ্য চেইঞ্জ মেকার্স নামে দুটি প্যানেল থেকে ৯ জন জয়লাভ করেছেন।

বেসিসের কার্যনির্বাহী কমিটির ডিজিটাল ব্রিগেড প্যানেলে সাধারণ ক্যাটাগরিতে জয় পেয়েছেন ইউ ওয়াই সিস্টেমস লিমিটেডের ফারহানা এ রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। আনন্দ কম্পিউটার্সের মোস্তফা জব্বার ১৮১ ভোট, সিস্টেম ডিজিটাল লিমিটেডের এম রাশিদুল হাসান ১৭৭ ভোট, টিম ক্রিয়েটিভের রাসেল টি আহমেদ ১৭৫ ভোট, ম্যাগনিটো ডিজিটালের রিয়াদ এস এ হুসেইন ১৬৫ ভোট, অ্যাডভান্স ই আর পি (বিডি) লিমিটেডের মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল ১৬৩ ভোট।

সহযোগী সদস্য ক্যাটাগরিতে ডিজিটাল ব্রিগেড প্যানেলের বেস্ট বিজনেস বন্ড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক উত্তম কুমার পাল ৬৮ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন।

অন্যদিকে চেইঞ্জ মেকার্সের সোনিয়া বশির কবির ১৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্যানেল থেকে মেট্রোনেট বাংলাদেশ লিমিটেডের সৈয়দ আলমাস কবির ১৭৪ ভোট পেয়ে কার্যনির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে ডিজিটাল ব্রিগেড প্যানেলের নেতা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘এটা আমার নয়। ইন্ডাস্ট্রির বিজয়। ইন্ডাস্ট্রি দেখিয়ে দিল আমরাও পারি। আমাদেরও কাজ করার যোগ্যতা আছে। এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। আমি খুশি।’

নির্বাচনের জয়লাভের বিষয়ে দ্য চেঞ্জ মেকারস প্যানেলের নেতা সোনিয়া বশির কবির বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ আমার কাছে ভাল লেগেছে। সব ঠিকঠাক মতোই সম্পন্ন হয়েছে।’

এবার নির্বাচনে চেয়ারম্যান আতিক-ই-রাব্বানীর পরিচালনায় এস এস কামাল ও নাজিম ফারহান চৌধুরীর তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন বোর্ড নির্বাচন, ভোটগ্রহণ ও গণনা পরিচালনা করে। এছাড়া আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে এ তৌহিদ এবং সদস্য হিসেবে রফিকুল ইসলাম রাউলি ও ফোরকান বিন কাশেম ছিলেন।

বেসিসের নির্বাচনে সদস্যরা কাগজের ব্যালট পেপারে টিক বা কাটা চিহ্ন দিয়ে ভোট দিয়েছেন। তবে ভোট গণনা করা হয়েছে ওসিএস (অপটিক্যাল কাউন্টিং সিস্টেম) প্রযুক্তিতে। এই প্রযুক্তির সফটওয়্যার বানিয়েছে অন্যরকম সফটওয়্যার।

নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ২২ জন প্রার্থী নির্বাচন করেছেন ৷ ডিজিটাল ব্রিগেড প্যানেলের পক্ষে আনন্দ কম্পিউটার্সের মোস্তফা জব্বার এবং দ্য চেঞ্জ মেকারস প্যানেলের পক্ষে মাইক্রোসফটের এমডি সোনিয়া বশির কবিরের নেতৃত্বে পৃথক দুটি প্যানেলে ৯ জন করে ১৮ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বতন্ত্র হিসেবে লড়েছেন চার প্রার্থী। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল জেনারেল ক্যাটাগরিতে ৩৬৮ ও অ্যাসোসিয়েটে ১৪৮ জনসহ মোট ৫১৬ জন।

কারওয়ানবাজারস্থ বিডিবিএল ভবনের ৫ম তলায় বেসিস অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪১২টি। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৩০৫ ভোট এবং অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে ১০৭টি ভোট পড়েছে।






মন্তব্য চালু নেই