মেইন ম্যেনু

বেড়েছে আলুর দাম, শীতকালীন সবজির বাজার স্থিতিশীল

রাজধানীর কাঁচাবাজারে এক মাস আগে প্রতিকেজি গোল আলু ২৩ টাকা থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে প্রতিকেজি আলু ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাসের ব্যবধানে প্রতিকেজি আলুতে বেড়েছে ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা। এদিকে, সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) হিসাব মতে, এক মাস আগে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ২৫ টা‍কা থেকে ৩০ টাকায়। শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলো প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়। সে হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি আলুর দাম বেড়েছে ১৮ শতাংশ।

এদিকে, রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে শীতকালীন শাক-সবজির আমদানি দিন দিন বাড়লেও তুলনামূলক দাম কম, তা বলা যাবে না।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে আলাপকালে এমনটিই ‍দেখা গেছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, স্বামীবাগ, কাপ্তানবাজার, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ২৫ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, সাদা গোলাকার বেগুন ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, টমেটো ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকায় (গত সপ্তাহে ছিল ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা), নতুন কাঁচা টমেটো ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, গাজর ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, শশা ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকায়, করলা ৩৫ টাকা থেকে ৪৫ টাকায়, ঝিঙা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, পটল ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, কাকরুল ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, ঢেড়স ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, ওস্তা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, চিচিঙা ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকায়, পেঁপে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, জলপাই ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, দোন্দল ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, বরবটি ৩৫ টাকা থেকে ৪৫ টাকায়, কচুর ছড়ি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, লতি ৩০ টাকা ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সাদা গোল আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়। এছাড়া প্রতিকেজি নতুন গোল আলু ৪৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়িদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, বাজারে কাঁচাপণ্য আমদানি বাড়ছে। বিক্রিও বাড়ছে।

যাত্রাবাড়ী বাজারে কাঁচাপণ্যের ব্যবসায়ী সম্রাট জানান, কাঁচামাল প্রত্যেকেরই প্রয়োজন। তাই এসব পণ্যের দাম কম থাকাই ভালো। আর কম দাম থাকলে বিক্রি বেশি হয়।

এদিকে, বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিকেজি দেশি রসুন ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং আমদানি করা রসুন ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি আদা ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, খুচরা বাজারে প্রতি হালি ব্রয়লার মুরগির ডিম ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি হাসের ডিম ৪৪ ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে।পাইকারী বাজারে ব্রয়লার মুরগির ১০০ ডিম ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হাসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকায় (একশ)।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি (সাদা) বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা ১৪০টাকা। বাজারে ব্রয়লার মুরগি (লাল) ১৪৫ টাকা থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর ‍মাংসের দাম অপরিবর্তিত আছে। প্রতিকেজি গরুর মাংস ৩৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা থেকে ৬২০ টাকায়।






মন্তব্য চালু নেই