মেইন ম্যেনু

বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত : সুখী দাম্পত্যের মূলে রয়েছেন একজন ‘সুখী স্ত্রী’

‘দাম্পত্য এবং একটি সম্পর্কের সফলতা ও সুখ মোট কথা একটি সুখী জীবনের মূলে রয়েছেন একজন সুখী স্ত্রী’, কথাটি আমাদের নয়। নানা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এই তথ্যটি। সম্প্রতি এই গবেষণার তথ্যটিও প্রকাশ করেছে রুটজার ইউনিভার্সিটির গবেষকগন।

অনেক সময়েই অনেকে বলে থাকে স্ত্রীকে সুখে রাখতে পারলেই জীবনটা সুখের হবে, যা অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য ছিল এবং অনেকেই তা গ্রহন করতে পারেন নি। কারণ, মানুষের মতের অমিল হতেই পারে। কিন্তু সত্যিকার অর্থেই একটি সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সেই সম্পর্কের সফলতা ও সুখটা বেশীরভাগ সময়ই নির্ভর করে নারীটির উপরে। যদি কোনো ব্যক্তি ভেবে থাকেন তিনিই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সর্বেসর্বা তাহলে নতুন করে আরেকবার ভেবে দেখার পরামর্শ দেন গবেষকগণ।

রুটজার ইউনিভার্সিটির একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া যায় একটি দাম্পত্য জীবনের সফলতা এবং দাম্পত্য জীবনের সুখ নির্ভর করে সম্পর্কে স্ত্রী সুখী রয়েছেন কিনা তার উপরে। যদি স্ত্রী সুখী না হন তাহলে তার স্বামী বেচারার সুখও থাকবে না। তবে তার অর্থ এই নয় যে স্বামী অখুশি থাকলে স্ত্রী সুখে থাকবেন। জিনিসটি অবশ্যই ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

প্রায় ৩৯৪ টি দম্পতির উপরে করা একটি গবেষণায় পাওয়া যায় শুধু একজনের খুশিতে সবকিছু হয় না। সুখী দাম্পত্যজীবনের জন্য স্বামীর সুখে থাকার বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু একজন নারীর চাইতে একজন পুরুষকে সম্পর্কে বেশী সুখী থাকতে দেখা যায়। কিন্তু যখন পুরো দাম্পত্য সম্পর্কের কথা আসে তখন স্বামীর সুখের উপর স্ত্রীর সুখে থাকার ব্যাপারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জানা যায়। স্বামী সুখে তখনই থাকেন যখন তার স্ত্রী সুখে থাকেন।

আর এর কারণ গবেষক লেখক ডেবোরাহ কার বলেন, ‘যখন একটি দাম্পত্যের সম্পর্কে স্ত্রী সুখে থাকেন তখন তিনি নিজে থেকে নিজের ১০০% দিয়ে হলেও স্বামীকে সুখে রাখতে চান এবং সুখে রাখার চেষ্টা করেন। এবং স্ত্রী যতো সুখে থাকবেন ততোই স্বামীর কথা ভালো করে শোনার এবং স্বামীকে বোঝার ব্যাপারটি তার মধ্যে কাজ করবে। এবং স্ত্রী চাইবেন অনেক বেশী সাপোর্ট করতে তার স্বামীকে। কিন্তু অপরপক্ষে যখন একজন স্ত্রী নিজে সুখে থাকেন না তখন তিনি নিজের দুঃখের কথাই বেশী বলেন এবং প্রতিটি পদে পদে তা স্বামীকে মনে করিয়ে দেয়ার চেস্তায় ব্যস্ত থাকেন। এবং এতেই সমস্যার সৃষ্টি হয়’।

এছাড়াও একটি সম্পর্ক সুখী হওয়ার পেছনে কমিউনিকেশন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। একজন আরেকজনকে কতোটুকু বোঝেন তার উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। ছোট ছোট ভহার দেয়া এবং নিজেকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার উপরেও দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। তাই সকল দিকও ভেবে দেখা উচিত।






মন্তব্য চালু নেই