মেইন ম্যেনু

ব্যবসা-বান্ধব সূচকে ২ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ

ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশের দিক থেকে দুই ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ।বিশ্বব্যাংকের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৭৪। আজ বুধবার বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হিসাবে জমি নিবন্ধন, বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া, ঋৃণ প্রাপ্তিরসহ নানাবিধ ঝামেলার কথা বলা হয়েছে।

সংস্থাটির ডুয়িং বিজনেস (ব্যবসার পরিবেশ)-২০১৬ এর তালিকায় ১৮৯টি দেশের মধ্যে আগে এ দেশের অবস্থান ছিল ১৭২, যা এবার দাঁড়িয়েছে ১৭৪-তে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশের ওপর বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ সংস্থা আন্তর্জাতিক অর্থবিষয়ক করপোরেশন (আইএফসি) ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, গতবছর ১৮৯টির মধ্যে ৬০ শতাংশ দেশ ব্যবসার নীতিতে উন্নতি করেছে।

বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস-২০১৬-এর তালিকায় প্রথম হয়েছে সিঙ্গাপুর। এ তালিকার শীর্ষের অন্য দেশগুলো হচ্ছে—নিউজিল্যান্ড (দ্বিতীয়), ডেনমার্ক (তৃতীয়), দক্ষিণ কোরিয়া (চতুর্থ), হংকং (পঞ্চম), যুক্তরাজ্য (ষষ্ঠ), যুক্তরাষ্ট্র (সপ্তম), সুইডেন (অষ্টম), নরওয়ে (নবম) ও ফিনল্যান্ড (দশম)।

আর এ তালিকায় ১৮৯তম অবস্থান আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দেশ ইরিত্রিয়ার। এর আগের অবস্থান যুদ্ধাবস্থায় থাকা লিবিয়ার (১৮৮তম)।

ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত এ তালিকায় ১২ ধাপ এগিয়েছে। আগে দেশটির অবস্থান ছিল ১৪২, যা এবার ১৩০তম অবস্থানে উঠে এসেছে।

বিশ্বব্যাংকের তালিকায় ১০ ধাপ পিছিয়েছে পাকিস্তান। আগে ছিল ১২৮তম, এবার দেশটি ১৩৮তম স্থান পেয়েছে।

ব্যবসার পরিবেশ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটান ১৪২তম থেকে ১২৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে। আর নেপাল পাঁচ ধাপ পিছিয়ে ৯৯তম অবস্থানে নেমেছে।

বাংলাদেশ ডুয়িং বিজনেস, ২০১৬-তে ছয়টি সূচকে পিছিয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসা শুরু সূচকে আগে ছিল ১১১তম, যা এবার অবস্থান ১১৭তম, অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ছয় ধাপ পিছিয়েছে। এ ছাড়া নিবন্ধীকরণ সম্পদ (-১), ঋণপ্রাপ্তি (-৫), ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রক্ষা (-১) ও কর পরিশোধ (-১) সূচকগুলোতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ।






মন্তব্য চালু নেই