মেইন ম্যেনু

ব্যাংকে তালা দিয়েছে বাড়িওয়ালা

বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করায় পাবনায় জনতা ব্যাংকের শাখায় তালা লাগিয়ে দিয়েছেন ভবনটির মালিক। পনের ঘণ্টা তালাবদ্ধ থাকার পর সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাত দিনের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ এবং নতুন চুক্তির অঙ্গীকার করে তালা খুলেছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করায় রোববার রাত আটটার দিকে শহরের প্রধান সড়কের ভবনটিতে তালা লাগিয়ে দেন ভবন মালিক আবদুল লতিফ বিশ্বাস। এ সময় তিনি গেটে একটি বিজ্ঞপ্তও টানান। তাতে লেখা: ‌গত ০৭-০৫-১৫ ইং তারিখের দেওয়া পত্রের ভিত্তিতে এবং ভাড়ার দায়ে ব্যাংক কার্যাালয়টি বন্ধ করে দেওয়া হইল।

ভবন মালিক আবদুল লতিফের দাবি, সাত হাজার ১৭৮ বর্গফুট জায়গার কার্যালয়টি ১৯৭৪ সালে প্রতি বর্গফুট মাসিক ৮ টাকা করে ভাড়া নেয় জনতা ব্যাংক। এ সময়ে ভবন মালিক বেশ কয়েকবার ভাড়া বাড়ানোর জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১ জুলাই আবদুল লতিফ বিশ্বাস ভবনটি ছেড়ে দেয়ার জন্য জনতা ব্যাংককে চূড়ান্ত নোটিশ দেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব না দেয়ায় এবং বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করায় রোববার রাত আটটার দিকে ব্যাংকের গেটে নোটিশ টানিয়ে তালা লাগিয়ে দেন তিনি।

আবদুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। চার বছর আগে আমি প্রতি বর্গফুট ৪০ টাকা ভাড়া দাবি করে ব্যাংকের কাছে চিঠি দেই। দুই বছর আগে ব্যাংক কর্মকর্তারা ২৮ টাকা করে ভাড়া নির্ধারণের একটি প্রস্তাব কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠান। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নেই। তারপরও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভাড়া না দেয়ায় এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় রোববার রাতে ব্যাংকের বাইরের গেটে নোটিশ টানিয়ে তালা মেরে দিয়েছি।

ব্যাংকের কাছে ‘প্রায় ২৪ লাখ টাকা ভাড়া বকেয়া রয়েছে’ দাবি করে আবদুল লতিফ বলেন, “তালা দেয়ার পর সোমবার সকালে ব্যাংকের এজিএম, ডিজিএমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসেন। তারা সাত দিনের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ এবং নতুন করে চুক্তি করার লিখিত অঙ্গীকার করেছেন। এরপর বেলা ১১টার দিকে আমি ভবনের তালা খুলে দিয়েছি।”

এ ব্যাপারে ব্যাংকটির ডিজিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আপত্তির কারণে আমাদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়।






মন্তব্য চালু নেই