মেইন ম্যেনু

ব্যাঙের বমিতে পাওয়া গেল নতুন প্রজাতির পিঁপড়ার সন্ধান!

ইকোয়াডরের ক্ষুদ্র আগুনরঙা ব্যাঙের পেটে পিঁপড়ার নতুন প্রজাতির সন্ধান পেলেন প্রাণী বিজ্ঞানীরা।

সাধারণ মানুষের চোখে ইকোয়াডরের সুন্দর এই হলুদ ব্যাঙটি আসলে ‘শয়তান’। মারাত্মক বিষের কারণেই ‘ডেভিল’-এর সঙ্গে তুলনা করা হয় ব্যাঙটির। বিষ দিয়েই শিকারকে ঘায়েল করে তারা। এমন একটি ব্যাঙের পেটে পিঁপড়ার নতুন প্রজাতির সন্ধান পেয়ে উল্লসিত ওই বিজ্ঞানীরা।

তাদের দাবি, এমন গ্রীষ্মমন্ডলীয় পিঁপড়ার প্রজাতি আগে দেখেননি। কোথাও এর উল্লেখও নেই। যে জন্য ‘দিয়াব্লিতো’ (ব্যাঙটির স্প্যানিশ নাম)-র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি বিজ্ঞানীরা।

সাধারণত পিঁপড়া খেয়েই বেঁচে থাকে ছোট্ট সুন্দর এই প্রাণীটি। এই ডেভিল ব্যাঙটির এমন এমন জায়গায় গতিবিধি, যেখানে সচরাচর মানুষ যেতে পারে না। তাই কীটপতঙ্গের নতুন প্রজাতি আবিষ্কারে ‘দিয়াব্লিতো’কে প্রয়োজনীয় ‘টুল’ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা এমনই কতগুলো ব্যাঙকে ধরে পেটে চাপ দিয়ে বমি করায়। সেই বমির মধ্যেই তারা খুঁজে পান পিঁপড়ার নতুন প্রজাতিটিকে।

নিউইয়র্কের রচেস্টার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান রবেলিং ক্ষুদ্র পিঁপড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন। জানালেন, এখন পর্যন্ত পিঁপড়ার এই নতুন প্রজাতি সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায়নি। শুধুমাত্র কিছু নমুনা পাওয়া গিয়েছে। তা ভালো করে পর্যবেক্ষণে যেটা দেখা গিয়েছে, আবিষ্কৃত ব্যাঙটির মুখটি দীর্ঘ। রবেলিং-এর ধারণা, আরো ক্ষুদ্র প্রাণী ধরার জন্যই পিঁপড়ার নতুন প্রজাতির মুখের গড়ন এরকম।

জানা গিয়েছে, বিষাক্ত এই ব্যাঙের বমিতে আরো কিছু পতঙ্গের অস্তিত্ব মিলেছে। তা খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা। আরো কোনো নতুন প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেলেও যেতে পারে। এমনটাই তারা আশা প্রকাশ করছেন।

A new species of tropical ant has been discovered in Ecuador, inside the belly of a devil frog locally known as ‘diablito’.-টাইমস অফ ইন্ডিয়া






মন্তব্য চালু নেই