মেইন ম্যেনু

ব্রণ বলে দেবে আপনার দেহের সমস্যা…

ব্রণ হলেই আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। মুখমণ্ডলের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ব্রণ বা দাগ থেকে যায়? এক গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের ত্বক দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রতিচ্ছবি। ফলে মুখে ব্রণ দেখা দিলেই খেয়াল করুন আপনার অজান্তেই অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা।

মুখে বিভিন্ন দাগ মূলত দুশ্চিন্তা, খাদ্যাভ্যাস, পরিপাক, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা, পানিস্বল্পতা হরমোনজনিত সমস্যা থেকে হয়ে থাকে। এককথায়, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশের ত্বক আপনাকে জানিয়ে দেবে আপনার দেহের কোথায় কী সমস্যা।

০. কপাল : পরিপাকতন্ত্র বা মূত্রাশয়ে সমস্যা হলে কপালে ব্রণ দেখা দেয়। এ জন্য প্রচুর পানি পান, গ্রিন টি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। এসব খাবার শরীরের টক্সিন ও বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেবে। পরিপাক ক্রিয়ার ভারসাম্যহীনতা দূর করতে অন্তত ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমোতে হবে।

০. ভ্রু : যকৃতের সমস্যা হলে ভ্রুর আশপাশে দাগ দেখা দেয়। এ ছাড়াও বেশি পরিমাণে তেল-মসলা জাতীয় খাবার থেকেই এ সমস্যা তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে বাড়িতে তৈরি কম তেলে রান্নার খাবার খান এবং চিনি ও লবণ খাওয়ার মাত্রা কমিয়ে দিন।

০. গাল : গাল ফুসফুসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। প্রতিনিয়তই ঠাণ্ডা ও সর্দিতে ভুক্তভোগীদের শ্বাসকষ্ট বা বুকে ইনফেকশন থাকলে গালে দাগ হতে পারে। সমাধান হলো- ধূমপান বর্জন করুন। সবুজ শাকসবজি খান। স্নেহজাতীয় খাবার এড়িয়ে যান।

০. নাক : হৃদযন্ত্রে সমস্যা, অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণ, খাদ্যের জৈব উপাদান ও ফ্রি রেডিক্যালসের কারণে নাকে দাগ বা ব্রণ দেখা দেয়। হরমোন নিঃসরণে ভারসাম্য হারালে ত্বক থেকে তৈলাক্ত রস সিবাম উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে ত্বকে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় ও লোমকূপে পানি জমে, যা পরে ব্রণ তৈরি করে। এ জন্য সহজ সমাধান হলো শসা, তরমুজ, গাজর, বাঁধাকপি, লেটুস, আলু, চেরি, পেঁপে ইত্যাদি।

০. চিবুক ও চোয়াল : এ দুই স্থানে দাগ থাকলে বুঝতে হবে আপনার কিডনি বা ব্লাডারে অসুস্থতা রয়েছে অথবা হরমোন নিঃসরণ স্বাভাবিকের তুলনায় কম বা বেশি। পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম, প্রচুর পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।






মন্তব্য চালু নেই