মেইন ম্যেনু

বড় ভাইদের ‘বড় ভাই’ তারেক রহমান

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, ‘বিদেশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বড় ভাই বিএনপি নেতা কাইযূম কমিশনার জড়িত বলে স্বীকার করেছে গ্রেপ্তারকৃতরা। আমি বলতে চাই, এ বড় ভাইয়েরও অনেক বড় ভাই আছে। সেই বড় ভাইদেরও ধরতে হবে। তাহলেই এ ধরনের গুপ্ত হত্যা বন্ধ করা সম্ভব হবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি জামাতের ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সব ভাইদেরও আবার একজন বড় ভাই আছেন। যিনি সমুদ্রের ওপারে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। তিনি হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করার বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদেশী নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে।’

আওয়ামীলীগের এ নেতা বলেন, ‘বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বিএনপি মৌলবাদের পৃষ্টপোষকতা করে না। মৌলবাদীদের পাশে বসিয়ে আপনি যদি বলেন আমরা মৌলবাদকে লালন করি না, তাহলে সেটা জাতির সঙ্গে তামাশা ছাড়া কিছু না।’

হাছান মাহমুদ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজকে বিএনপি মৌলবাদকে লালন পালন করছেন। এদেশে মৌলবাদী দলের অনেক নেতাই তালেবানের সঙ্গে যুক্ত। যারা একদিন বলেছিল, ‘আমরা সবাই তালেবান, বাংলা হবে আফগান।’

আওয়ামীলীগের এ কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘আজকে দেশে যে পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে সেটা রুখে দিতে হলে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে হবে। স্বাধীকার আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা অন্দোলন এবং সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিশাল ভূমিকা রেখেছিল এদেশের সংস্কৃতি কর্মীরা।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপি বলেন, ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা যখন পাকিস্থানী সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম তখন এক শ্রেণির লোক দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।’

তিনি বলেন, ‘যে দেশের মা-বাবারা তাদের সন্ত্রাসী ছেলেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে পারে সে দেশের সব ষড়যন্ত্রই মোকাবেলা করা সম্ভব।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, ঢাবি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, আওয়ামীলীগের নেতা হাবিবুর রহমান খান হাবিব, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, অধ্যক্ষ শাজাহান সাজু প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই