মেইন ম্যেনু

প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট আবেদন

ভাটপাড়া সরঃপ্রাথঃবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা বিধ অভিযোগ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাটপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আতসাৎ,ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতি অসদাচরণ,স্কুল পরিচালনা কমিটির সাথে বিরোধ সহ নানা অভিযোগ উঠেছে।
স্কুলটির পরিচালনা কমিটির লিখিত অভিযোগ পত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণের জন্য প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন কুমার ১ বছর আগে বিদ্যালয় চত্বর থেকে ৩০ হাজার টাকার মূল্যের একটি মেহগিনি গাছ বিক্রি করেন। এবং সরকারী উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৩০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। প্রাচীর নির্মানের অর্থ যথাযথ ব্যবহার না করে সমুদয় অর্থ তিনি আত্বসাৎ করেন।

ম্যানেজিং কমিটি প্রাচীর নির্মানের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমি সময় মত আপনাদের সাথে আলোচনা করে কাজ করবো’’। কিন্তুু আলোচনা তো দুরের কথা তিনি এ বিষয়ে কমিটির কাছে কোন প্রকার হিসাব দিচ্ছেন না। এ মতাবস্থায় কমিটি তার উপর চাপ সৃষ্টি করলে তিনি একটি ভূয়া রেজুলেশন তৈরী করেছেন। যাতে তিনি উল্লেখ করেছেন সমুদয় টাকা বিদ্যালয়ের কাজে খরচ করা হয়েছে। খরচের ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ আজহারুল ইসলাম প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান খরচের বিপরীতে আমার কাছে কিছু ফাকা ক্যাশ মেমো আছে যে গুলো আপনারা টাকার অংক বসিয়ে নেবেন।

এলাকার প্রায় এক থেকে দেড়’শ অভিভাবক একটি লিখিত অভিযোগে জানান, প্রধান শিক্ষক ছেলেমেয়েদের সাথে প্রায়ই অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের কারনে অনেক ছাত্র ছাত্রী অন্য স্কুলে চলে গেছে। এ ব্যাপারটি নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির কাছে বেশ কয়েকবার অভিযোগ করেও কোন সমাধান হয়নি।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আব্দুল মাজেদ প্রতিবেদকে জানান, প্রধান শিক্ষক একজন দূর্নীতিবাজ,অর্থ আত্বসাৎকারী এবং বদমেজাজী। এই শিক্ষক স্কুলে আরো কিছু দিন থাকলে স্কুলটি ছাত্র/ছাত্রীশূন্য হয়ে পড়বে। তাকে দ্রুত অন্য স্কুলে বদলী করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করেছি।
এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কোন অর্থ অত্বসাৎ করিনি। আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে কোন প্রকার অসদাচরণ করিনা। কমিটি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছেন।

বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট কমিটি ও অভিভাবকগণ জোর দাবী জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই