মেইন ম্যেনু

ভারতের ‘সবথেকে বড়’ অপরাধী বীরাপ্পন সম্পর্কে চমকে দেওয়ার মতো ১২টি তথ্য

আজ তাঁকে নিয়ে তৈরি ছবি মুক্তি পাচ্ছে। ছবি ঘিরে প্রবল আকর্ষণ তৈরি হয়েছে। কিন্তু তার আগে দেখে নেওয়া যাক, এই বীরাপ্পন সম্পর্কে এমন ১০টি তথ্য, যা অবাক করে আজও।

১. মাত্র ১০ বছর বয়সেই গুলি করে একটি হাতি মেরে ফেলেছিল ‘চন্দন দস্যু’ বীরাপ্পন। ১৭ বছর বয়সে প্রথম হত্যা।

২. চার দশকের দৌরাত্ম্যে বীরাপ্পন ১৮৪জনকে হত্যা করেছিল। এর মধ্যে ৯৭জন পুলিশ ও বন-আধিকারিক। এ ছাড়া প্রায় ১০০০টি হাতি মেরেছিল সে।

৩. বীরাপ্পনের আগে দক্ষিণের জঙ্গলে দাপট ছিল আর এক দস্যু সেলভি গুন্ডারের। সেলভি ছিল বীরাপ্পনের আত্মীয়। তার হাত ধরেই অপরাধে হাতেখড়ি বীরাপ্পনের।

৪. ‘চন্দন দস্যু’ বীরাপ্পন ১০ হাজার টনেরও বেশি চন্দনকাঠ পাচার করেছিল বিদেশে। সেই চন্দনকাঠের সে সময়ের বাজারমূল্য শুনলে মাথা ঘুরে যাবে। দু’কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি।

৫. স্রেফ শুকনো পাতায় পায়ের শব্দ শুনেই বীরাপ্পন বুঝতে পারত কোন প্রাণী আসছে।

৬. বীরাপ্পনকে কেন মুথুলক্ষ্মী বিয়ে করেছিলেন জানেন? স্রেফ দৌরাত্ম্য আর গোঁফের প্রেমে পড়ে।

৭. পরপর তিনটি মেয়ে হওয়ায়, তৃতীয়টিকে হত্যা করেছিল বীরাপ্পন।

৮. ২০০০ সালে কন্নড় মেগাস্টার রাজকুমারকে অপহরণ করেছিল বীরাপ্পন। ১০৯ দিন আটকে রেখেছিল। তার পরে ৩০ কোটি টাকা এবং বিপুল সোনার বিনিময়ে তাঁকে মুক্তি দেয়। ২০০২ সালে কর্নাটকের মন্ত্রী এইচ নাগাপ্পাকে অপহরণ করেছিল। মুক্তিপণ নিয়ে দরাদরিতে পোষায়নি বলে তাঁকে হত্যা করে।

৯. বীরাপ্পনের পাবলিক রিলেশন্‌স বা জনস‌ংযোগের কাছে নামজাদা কোম্পানিও ফেল করবে। সুন্দরী মহিলাদের সে নিয়োগ করেছিল জনসংযোগ রক্ষা করতে। সাংবাদিক থেকে শুরু করে সাহিত্যিক, সকলের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল। বিদেশেও জনসংযোগের জন্য লোক নিযুক্ত করেছিল বীরাপ্পন। লন্ডন এবং নিউ ইয়র্কেও তার লোক ছিল।

১০. মৃত্যুর আগে শেষবার বীরাপ্পনকে যখন ঘিরে ফেলেছিলেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের জওয়ানরা, তখন রচিত হয়েছিল এক টানটান নাটক। বীরাপ্পনের এক সঙ্গীকে মেরে ফেলেছিল এসটিএফ। বীরাপ্পন সেই সময়ে সঙ্গীর মোবাইল (সেই সময়েও মোবাইল ব্যবহার করত বীরাপ্পন, যা একমাত্র পুলিশ এবং সামরিক বাহিনীর কাছে ছিল) থেকে কোনও এক ভিভিআইপি-কে ফোন করে। তৎক্ষণাৎ নির্দেশ আসে বন্দুক নামানোর। বীরাপ্পন ফসকে যায়।

১১. ২০০৪ সালের ১৮ অক্টোবর বীরাপ্পনকে তার তিন সঙ্গী-সহ গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই সময়ে তার মাথার দাম ছিল পাঁচ কোটি টাকা। আজকের হিসেবে তা প্রায় ১১ কোটি টাকা!

১২. বীরাপ্পনকে হত্যা করতে শুরু করা হয়েছিল ‘অপারেশন কোকুন’। বছরের পর বছর ধরে চলে এই অপারেশন। ‘অপারেশন কোকুন’ ভারতের ইতিহাসে অন্যতম খরচাসাপেক্ষ অভিযান। ১০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছিল সেই সময়েই।






মন্তব্য চালু নেই