মেইন ম্যেনু

ভারতে অননুমোদিত টেলিভিশনের সংখ্যা কত জানে না সরকার

ভারতের ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখক জাকির নায়েকের পিস টিভির সম্প্রচার দেশটিতে বন্ধের পর বিপাকে পড়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। দেশটিতে সম্প্রচাররত অননুমোদিত টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা কত সে বিষয়েও কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কাছে।

দেশটির সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর জন্য হুমকি রয়েছে এরকম টেলিভিশন কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ করতে কাজ শুরু করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এক কর্মকর্তা দেশটির জাতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, সন্দেহজনক চ্যানেল নিরীক্ষণের কোন উপায় নেই; বর্তমানে আমরা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া মনিটরিং সেন্টারের মাধ্যমে (ইইএমসি) অনুমোদিত সংবাদ এবং সাধারণ বিনোদন চ্যানেল নিরীক্ষণ করছি।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, নিরাপত্তা এবং জাতীয় অখণ্ডতার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে টেলিভিশন চ্যানেলের এ রকম বিষয়বস্তু চেক করার জন্য সরকার সতর্ক করেছে।

ইইএমসি দেশটিতে সম্প্রচাররত ৬ শতাধিক টেলিভিশন চ্যানেল নিরীক্ষণ করছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিষয়বস্তুর উপর নজর রাখা এবং কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯৫ এর বিধান লঙ্ঘন করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা।

এর আগে, গত শনিবার রাতে ভারতে জাকির নায়েকের পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে হামলা চালানো জঙ্গিদের মধ্যে দুজন টুইটারে জাকির নায়েককে অনুসরণ করতো। এর পরই জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৎপরতায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে ড. জাকির নায়েকের মুম্বাইয়ের দংগিরি এলাকার অফিস ও বাসভবনে পুলিশ পাহারা বসানো হয়।

পরে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করা নিয়ে ঢাকা থেকে দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারতে পিস টিভি সম্প্রচার করার অনুমতি নেই। তবুও বেআইনিভাবে অনেক ক্যাবল অপারেটর এই চ্যানেলটি সম্প্রচার করে আসছিল।






মন্তব্য চালু নেই