মেইন ম্যেনু

ভালোবাসার কাছে হার মানলো মৃত্যু

রূপকথাকেও হার মানিয়ে দিতে পারে এই মৃত্যু। ভালোবাসার বন্ধনের কাছে পরাজিত মৃত্যুও আলাদা করতে পারল না ডালটন আর কেটি-কে। ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী ডালটন মারা গেছেন শনিবার। তার ঠিক পাঁচদিন পরেই বৃহস্পতিবার চলে গেলেন স্ত্রী কেটিও। তিনিও ভুগছিলেন ক্যান্সারে।

সালটা ২০১১। ফেসবুকের মাধ্যমে আলাপ। তারপরে গভীর প্রণয়পর্ব পেরিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ডালটন প্র্যাগার ও কেটি প্র্যাগার। কেটি-র বয়স ছাব্বিশ। তার

থেকে বছর খানেকের ছোটো ডালটন। বিয়ের আগে থেকেই কঠিন কিসটিক ফাইব্রোসিসে ভুগছিলেন ডালটন ও কেটি। কিন্তু, তা সত্ত্বেও তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বেশ ধুমধাম করেই বিয়ে হয়েছিল তাদের। এরপরেই ধীরে ধীরে কর্কট রোগের তীব্রতা বাড়তে থাকে ডালটন-কেটির শরীরে। ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে।

ডাক্তাররা বললেন, আলাদা থাকতে হবে তাদের। কেন না, ডালটনের থেকে কেটের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে ভাইরাস। কিন্তু, কেটি ছিলেন তার স্বামীর কাছে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। ডালটনের মৃত্যুর কয়েকঘণ্টা আগেও ফেসটাইমে কথা হয় তাদের। ডালটন চলে গেছেন, জানেন কেটি। যেন নিশ্চিত অপেক্ষায় ছিলেন, দু’হাত বাড়িয়ে তাঁকেও ডেকে নেবেন তার স্বামী। হলও ঠিক তাই। পাঁচদিন পরেই বৃহস্পতিবার মারা যান কেটিও।

কেটির মৃত্যুর পরে তার মা ডেবি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। তাতে লেখেন, “আমি জানতাম, ডালটন আমার মেয়ের জন্য অবশ্যই তার কাছে একটা জায়গা তৈরি করে রেখেছে।” ইনাডু






মন্তব্য চালু নেই